নাগরিকত্ব দেওয়া হবে আফগানিস্থান, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে গুজরাতের আনন্দ ও মেহসেনায় আগত হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, ফারসি ও খৃষ্টান সম্প্রদায়ের শরণার্থীদের। জারি হয়েছে বিজ্ঞপ্তি। এতেই উচ্ছ্বসিত বাংলার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
তাঁর কথায়, যেহেতু আমি উদ্বাস্তু সেলের কনভেনর, আমরা আগে দেখব নাগরিকত্ব সুরক্ষার ক্ষেত্রে কোন প্রতিবন্ধকতা আছে কি না। সেটা দেখে আমরা ক্লিনচিট দিলে ওটা লাগু হয়ে যাবে। নিশ্চিন্ত থাকুন দ্রুত সিএএ লাগু হবে। এই বছরের মধ্যেই এটা হবে। জানিয়েছেন হরিণঘাটার বিজেপি বিধায়ক।
উল্লেখ্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কয়েক মাস আগেই উত্তরবঙ্গ সফরে এসে এক জনসভায় বলেছিলেন, সবাই করোনার টিকা পেলেই সিএএ কার্যকর করার পথে হাঁটবে কেন্দ্র।
বিশ্বাস করে ভোট দিয়ে ১৮টি আসন এনে দিয়েছিলেন মতুয়ারা। সিএএ চালু করার জন্য প্রয়োজনে পথে নামবেন মতুয়ারা। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে মন্তব্য করে বিরোধী দলের অস্বস্তি বাড়ালেন হরিণঘাটার বিজেপি বিধায়ক অসীম সরকার।
সিএএ চালু না হওয়ায় মতুয়া গড়ে অসন্তোষ দেখা দেয়। বিদ্রোহ করেন বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। তিনি দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ছাড়া আর কেউই মতুয়াদের স্বার্থ নিয়ে চিন্তিত নন। অন্যদিকে নয়া রাজ্য কমিটিতে মতুয়াদের স্থান পাওয়া না নিয়েও চরমে ওঠে বিক্ষোভ।