নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্য কমিটি থেকে জেলা কমিটি, বিজেপির সাংগঠনিক পদে বাদ পড়েছেন মতুয়ারা। এ নিয়ে বিজেপির অন্দরে ক্ষোভের অন্ত নেই। তার ওপর রববার ঠাকুরবাড়িতে মতুয়া নেতাদের বৈঠকের পর প্রশ্ন উঠছে সিএএ কার্যকরিতা নিয়ে। সেই প্রশ্নের জবাব দিতে এবার বিজেপির তরফে মাঠে নামলেন সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
আরও পড়ুনঃ Kalyan Banerjee: আর নয় কল্যাণ, রিষড়ার রাস্তায় ছেয়ে গেল পোস্টার


তিনি বলেন, শুধু মতুয়ারা নয়, বিজেপি আমলে সকলেই নাগরিকত্ব পাবেন। সিএএ করতে অনেকটা সময় লেগেছে। অপেক্ষা করুন, বিজেপি কাজটা করছে। তাঁর সংযোজন, “বাংলায় প্রায় তিন কোটি মানুষ আছেন, যাঁরা পূর্ববঙ্গ থেকে এসেছেন। প্রধানমন্ত্রীর কথার উপর ভরসা রেখে তাঁরা বিজেপি-কে ভোট দিয়েছেন। অর্ধেক কাজ হয়েছে। অর্ধেক হয়নি। তার জন্য সময় দিতে হবে। একমাত্র বিজেপি-ই পারবে এই কাজ করতে”।
রবিবার ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়িতে সর্বভারতীয় মতুয়া মহাসঙ্ঘের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতাদের সঙ্গে বৈঠক সারলেন শান্তনু ঠাকুর। সূত্রের খবর, আগামী দিনে সিএএ কার্যকর নিয়ে প্রশ্ন তুলবেন শান্তনু। সেইসঙ্গে দেশজুড়ে আন্দোলনের পরিকল্পনা রয়েছে তাঁদের। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বনগাঁ উত্তরের বিধায়ক অশোক কীর্তনিয়া, গাইঘাটার বিধায়ক সুব্রত ঠাকুর ও রানাঘাট দক্ষিণের বিধায়ক মুকুটমণি অধিকারী। তিন জনেই মতুয়া মহাসঙ্ঘের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য। ছিলেন কিছু দিন আগে বিজেপির সংগঠন নিয়ে অসন্তোষ হওয়া দুই নেতা অসীম সরকার এবং অম্বিকা রায়।
সূত্রের খবর, এদিনের বৈঠকে সিএএ নিয়ে কেন্দ্র সরকারকে প্রশ্ন করবেন শান্তনু ঠাকুররা। একইসঙ্গে আগামী দিনে কী হবে বিক্ষুব্ধ নেতাদের স্ট্র্যাট্রেজি? তা নিয়েও আলোচনা হয় এদিনের বৈঠকে। যদিও বৈঠকের শেষে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর বলেন, “এটা সাংগঠনিক বৈঠক ছিল। রাজনৈতিক আলোচনা হয়নি। জেলায় জেলায় সংগঠন কী ভাবে কাজ, তাই নিয়ে পর্যালোচনা হয়েছে।’’


সকলেই নাগরিকত্ব পাবেন, আশ্বস্ত করলেন দিলীপ

রবিবারেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে কলকাতা পোর্ট ট্রাস্টের অতিথিশালায় চলে বৈঠক। সেই বৈঠকের পর সংগঠন নিয়ে রাজ্য সভাপতি অমিতাভ চক্রবর্তীর ওপর ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। এবার মতুয়া নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে কী বড় কোনও সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন শান্তনু? তা নিয়ে ইতিমধ্যেই বিজেপির অন্দরে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।







