নজরবন্দি ব্যুরোঃ এই রাজ্যে কখনওই এনআরসি(NRC) সিএএ(CAA) চালু করতে দেবেন না, একাধিকবার এই কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে রাজ্যে সিএএ চালু করতে বিজেপি পরিচালিত কেন্দ্রীয় সরকার যে কোন বাঁধাই মানবে এ বার তা স্পষ্ট করলেন বিজেপি মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে তিনি দাবি করেন ২০২৪-এর আগেই রাজ্যে সিএএ চালু হবে।
আরও পড়ুনঃ নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে অব্যাহত নাটকীয়তা, সিবিআই তদন্তে স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের!


২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচন। আর সেই নির্বাচনকে সামনে রেখে এখন থেকেই তৈরি হচ্ছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। প্রস্তুতি তুঙ্গে ভারতীয় জনতা পার্টিরও। তাই বিজেপি মুখপাত্রের এই মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। ২০২১ সালে রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনেরএরসময়েও নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনকে হাতিয়ার করেছিল গেরুয়া শিবির। তবে তাতে তেমন কাজের কাজ কিছুই হয়নি। ২০০ আসন পাওয়ার টার্গেট করে বিজেপি থেমেছে ৭৭-এ।
বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠকে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “২০২৪-এর আগেই রাজ্যে সিএএ চালু হবে। সেই কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে।” ওয়াকিবহাল মহলের ব্যাখ্যা, মূলত মতুয়া গড়ের ভোটব্যাঙ্ক ধরে রাখতেই এমন ঘোষণা করল বিজেপি। কারন বিধানসভা নির্বাচনের আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছিলেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলেই সিএএ চালু হবে। যদিও ভোটে পরাজয়ের পরে দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানিয়েছিলেন, সিএএ চালু করা যাবে না।
২০২৪-এর আগেই রাজ্যে সিএএ চালু হবে, ঘোষণা রাজ্য বিজেপির

এদিকে সিএএ চালু না হওয়ায় মতুয়া গড়ে অসন্তোষ দেখা দেয়। বিদ্রোহ করেন বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। তিনি দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ছাড়া আর কেউই মতুয়াদের স্বার্থ নিয়ে চিন্তিত নন। অন্যদিকে নয়া রাজ্য কমিটিতে মতুয়াদের স্থান পাওয়া না নিয়েও চরমে ওঠে বিক্ষোভ। সিএএ চালু না হওয়া, উপরন্তু নতুন রাজ্য কমিটিতে একজন মতুয়া প্রতিনিধির না থাকা, সব মিলিয়েই বিদ্রোহ করেন শান্তনু। তাই আজ শমীকের এই বক্তব্যকে মতুয়াদের জন্যে শান্তনা পুরস্কার হিসেবেই দেখছে রাজনৈতিক মহল।









