যদিও এই সরিয়ে দেওয়া প্রসঙ্গে বিকাশরঞ্জন বলেছেন, "এ বিষয়ে আমার কিছু বলার নেই। আমার পক্ষে যতটুকু করা সম্ভব ছিল, করেছি। বাকিটা তাঁদের সিদ্ধান্ত। সুপ্রিম কোর্টে নির্যাতিতার হয়ে সওয়াল করার কোনও বিষয় নেই। মামলা হচ্ছে তদন্তের গতিপ্রকৃতি নিয়ে।"
বিভিন্ন জেলার যুবনেতারা বিকাশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানিয়েছেন সেলিমের সামনেই। তাঁদের বক্তব্য, কীভাবে একজন দলের নেতা হয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে দলেরই একজন নেত্রীর সমালোচনা করতে পারেন বিকাশ?
এই কথাটা লোকসভার পর নতুন নয়। একুশের বিধানসভা নির্বাচন, বা তার পরবর্তী পুরসভা বা পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভরাডুবির পরেও আলোচনার বিষয় ছিল, বামেদের বিপ্লব এখন সোশ্যাল মিডিয়াতেই আবদ্ধ। কারণ, ব্রিগেড ভরলেও ভোট বাক্স ভরে না।
বিচারব্যবস্থা এবং একজন বিচারপতিকে নিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিতর্কিত মন্তব্যের বিরোধিতা করে আদালতের দ্বারস্থ হলেন সিপিএম নেতা তথা আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। নাম না করেই প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তিনি। মামলাকারীকে লিখিত অভিযোগ জমা দিতে বলে ডিভিশন বেঞ্চ।
ব্যালট রাস্তায় গেল কীভাবে, রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে এই প্রশ্নের উত্তর জানতে চাইলেন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি অমৃতা সিনহা। পাশাপাশি, পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে কেন এত অভিযোগ আসছে তা নিয়েও এদিন কমিশনকে ভর্ৎসনা করল আদালত। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, এ বিষয়ে কোনও অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। মৌখিক বক্তব্যে আইন অনুমতি দেয় না। এই প্রসঙ্গে আইনজীবী বিকাশ ভট্টাচার্য দাবি বলেন, ‘ব্যালট পেপার রাস্তায় যেভাবে রাস্তায় পড়েছিল, সে ক্ষেত্রে অভিযোগ করার দরকার হয় না, আর একটা দুটো নয় কয়েকশো ব্যালট পেপার নষ্ট করা হয়েছে। কমিশন ব্যবস্থা না নিলে আদালতের হস্তক্ষেপ চাওয়া যেতে পারে’। আগামী ২৬শে জুলাই এই মামলার পরবর্তী শুনানি।
সেই পরিকল্পনারই বাস্তব রূপায়ন হচ্ছে। এর থেকে বাঁচার উপায় পাল্টা মার। এই পথ রানীনগর দেখিয়েছে, ডোমকল দেখিয়েছে। ২০১৮ সালের ভোটেও বলেছিলাম দলবদ্ধভাবে মনোনয়ন দেওয়া হোক। বাধা দিলে পাল্টা মারবেন। আইন আমি বুঝে নেব। এখনও দলের সব কর্মীদের সেই কথাই বলছি।
প্রশ্ন ছিল, মাঝরাতে একজন আইনজীবীকে তুলে আনা হল। পুলিশকে কে এই অধিকার দিয়েছে। তিনি কী কোনও সন্ত্রাসমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত? তাঁর বাড়িতে কিছু সন্ত্রাসমূলক কাজের হদিশ মিলেছে? আগামী দিনে বিচারকের ওপরেও হামলা হতে পারে।