নজরবন্দি ব্যুরো: বিচারব্যবস্থা এবং একজন বিচারপতিকে নিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিতর্কিত মন্তব্যের বিরোধিতা করে আদালতের দ্বারস্থ হলেন সিপিএম নেতা তথা আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। নাম না করেই প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তিনি। মামলাকারীকে লিখিত অভিযোগ জমা দিতে বলে ডিভিশন বেঞ্চ।
আরও পড়ুন: ‘উস্কানিমূলক কথা বললেই বেঁধে রাখব’, শুভেন্দুকে হুঁশিয়ারি তৃণমূল বিধায়কের
আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য নাম না করে আদালতে জানিয়েছেন, “আদালতের গরিমা নিয়ে একটি বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাইছি। একজন ভদ্রলোক একজন নির্দিষ্ট বিচারপতির নির্দেশ দিয়ে অভিযোগ করেছেন, হাইকোর্ট সমাজবিরোধীদের রক্ষাকবচ দিচ্ছে। সমাজবিরোধীরা যাতে অবাধে ঘুরে বেড়াতে পারেসেই ব্যবস্থা করেছে। তাঁর অভিযোগ হাইকোর্টের দিকে।” তিনি আরও বলেন, “প্রাক্তন অ্যাডভোকেট জেনারেল আমাকে বলেছেন, এই বিষয়টি নিয়ে কিছু করুন। মাফিয়া লিডার সাধারণ মানুষের আস্থা ভঙ্গ করে আদালতকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না।’”

ভোট পরবর্তী হিংসায় নন্দীগ্রামের একাধিক তৃণমূল কর্মী আহত হয়েছিলেন। তাঁদের চিকিৎসার জন্য এসএসকেএমে নিয়ে আসা হয়। গত শুক্রবার তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আহত কর্মীদের দেখতে হাসপাতালে যান। সেখান থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নানা মন্তব্য করেন। তৃণমূল সাংসদ বলেন, “বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা সমাজবিরোধীদের রক্ষাকবচ দিচ্ছেন।”

রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে রক্ষাকবচ দেওয়ার জন্য বিচারপতি মান্থার সমালোচনা করেন। তৃণমূল সাংসদ প্রশ্ন তোলেন, “আমি যদি রক্ষাকবচ চাই, আমাকে কি দেবে?’ পাশাপাশি অভিষেক সুর চড়িয়ে বলেন, “যদি এই বক্তব্যের জন্য তাঁকে আদালত অবমাননার দায়ে জেলে যেতে হয়, তা হলে তিনি ১০ হাজার বার জেলে যেতেও রাজি! কিন্তু তিনি সত্য বলবেনই।” তাঁর মন্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
নাম না করে অভিষেকের মন্তব্য নিয়ে হাইকোর্টে বিকাশ, প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ




