এদিন আদালতের কাছে আন্দোলনকারীদের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে পুলিশের ভূমিকা অভাবনীয়। পুলিশ অনেক আগেই ছেড়ে দেওয়ার কথা বলেছিল, কিন্তু ছেড়েনি। ডিএ আন্দোলনকারীরা কি বোমা ছুড়েছে? নাকি অন্য কিছু করেছে? কলকাতায় ১৪৪ ধারা হামেশাই ভাঙে। কী দোষ এদের? হেফাজতে রাখার কী যুক্তি? ডিএ না দেওয়া হোক, অন্তত জামিন দেওয়া হোক।
আমি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে একমত। ষড়যন্ত্র হয়েছে। ষড়যন্ত্র টা কী? পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষাব্যবস্থাকে একেবারে ভেঙে দেওয়ার পরিকল্পনা। আপনারা লক্ষ্য করবেন ২০১১ সালে থেকে বিভিন্ন নাম করা কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন করা হয়েছে। যে সমস্ত কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন করা হয়েছে, সেগুলো খ্যাতিমান।
গত ছয় দিন ধরে ইডির হেফাজতে থাকার পর মন্ত্রীপদ থেকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে সরিয়ে দিল তৃণমূল। ততদিনে বিরাট প্রশ্নের মুখে রাজ্যের শাসক দল। কেন এত দেরি করে মন্ত্রীপদ থেকে পার্থকে সরালেন মমতা? প্রশ্ন উঠছিল রাজনৈতিক মহলে। এরপরেই শাসক দলের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন সিপি(আই)এমের রাজ্যসভার সাংসদ বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। পার্থকে মন্ত্রীসভা থেকে সরিয়ে আত্মরক্ষা করা যাবে না। এর দায় মুখ্যমন্ত্রীরও।
গতকাল দক্ষিণ কলকাতার এক অভিজাত আবাসন থেকে উদ্ধার হয়েছে ২১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা। গ্রেফতার করা হয়েছে, পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ট অর্পিতা মুখ্যোপাধ্যায়কে। সেই ঘটনায় সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন সিপি(আই)এমের রাজ্যসভার সাংসদ বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য। মমতাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক। দাবি বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যের।
সেইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীকে প্রস্তাব দিলেন সিপি(আই)এমের রাজ্য সম্পাদক। তিনি বলেন, আমি ওনাকে বলতে চাই ১৫ দিনের মধ্যে রিপোর্ট পেশ করুন। তাহলে আমি ওনাকে এক হাঁড়ি রসগোল্লা খাওয়াবো। না পারলে উনি পাগলা গারদে বসবাস করুন।
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে আসল দুর্নীতিকে আড়াল করা হচ্ছে। বাড়তি এক নম্বর দেওয়ার ক্ষেত্রে কেন বিজ্ঞপ্তি জারি করা হল না? প্রশ্ন মামলাকারীদের আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের।তাঁর কথায় মহাভারতে মেঘের আড়ালে যুদ্ধ করতেন ইন্দ্রজিৎ। তেমনই দুর্নীতি ঢাকার জন্য মেঘ তৈরি করা হচ্ছে।