নজরবন্দি ব্যুরোঃ গত ছয় দিন ধরে ইডির হেফাজতে থাকার পর মন্ত্রীপদ থেকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে সরিয়ে দিল তৃণমূল। ততদিনে বিরাট প্রশ্নের মুখে রাজ্যের শাসক দল। কেন এত দেরি করে মন্ত্রীপদ থেকে পার্থকে সরালেন মমতা? প্রশ্ন উঠছিল রাজনৈতিক মহলে। এরপরেই শাসক দলের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন সিপি(আই)এমের রাজ্যসভার সাংসদ বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। পার্থকে মন্ত্রীসভা থেকে সরিয়ে আত্মরক্ষা করা যাবে না। এর দায় মুখ্যমন্ত্রীরও।
আরও পড়ুনঃ East Bengal News: লাল-হলুদে ফিরছেন শুভাশিস রায়চৌধুরী
তিনি বলেন, মামলার ভবিষ্যত খুব স্পষ্ট। যে পথে তদন্ত চলছে, তেমন যদি তদন্ত চলে তাই এই বেআইনি পথের নিয়োগ করার প্রক্রিয়া তৃণমূল কংগ্রেস চালু করেছে ২০১১ এর পর থেকে সেই বেআইনি পথে নিয়োগ বন্ধ হবে। যারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী থেকে শিক্ষামন্ত্রীরা, এই দায় পার্থর একার নয়। পার্থকে মন্ত্রীসভা থেকে সরিয়ে দিয়ে আত্মরক্ষা করা যাবে না। এজন্য সমান অপরাধে অপরাধী মুখ্যমন্ত্রী। তিনি পদত্যাগ করুন। একটা স্বচ্ছ প্রশাসন তৈরি করে যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ করা হোক।

চাকরী প্রার্থীদের হয়ে লাগাতার সরব হয়েছেন সিপি(আই)এমের রাজ্যসভার সাংসদ। এমনকি শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি ইস্যুতে একাধিক মামলায় চাকরী প্রার্থীদের হয়ে আদালতে সওইয়াল করেছেন দুঁদে আইনজীবী। শুধুমাত্র পার্থ নয়, দলের অন্যান্য বিধায়করা এর সঙ্গে জড়িত। এমনকি হাজার হাজার কোটি টাকা একাধিক দুর্নীতি মামলায় উদ্ধার হতে পারে। এমনটাও মন্তব্য করেছিলেন তিনি। এখন পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে মন্ত্রীপদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরেই ফের সরব হলেন তিনি।
পার্থকে মন্ত্রীসভা থেকে সরিয়ে আত্মরক্ষা করা যাবে না, ফের মমতাকে নিশানা বিকাশের

এতদিন ধরে পরিষদীয় মন্ত্রীপদের পাশপাশি শিল্প এবং তথ্য প্রযুক্তির দফতর সামলাচ্ছিলেন পার্থ। সমস্ত পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে মন্ত্রীপদ থেকে সরানোর পর বার্তা দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, এখন পার্থর মন্ত্রক দেখবেন তিনিই। নতুন মন্ত্রীসভা না গঠিত হওয়া অবধি সামলাবেন তিনিই।



