সদ্য সমাপ্ত বিধানসভার নির্বাচনে পশ্চিম ভারতের ছোট্ট রাজ্যে ৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে তৃণমূল। বিধানসভার ফলাফল অসন্তোষজনক হলেও এখনই হাল ছাড়তে নারাজ ঘাসফুল শিবির। মে-জুন মাসে গোয়ার নির্বাচনের প্রস্তুতি এখন থেকে শুরু করতে চায় তৃণমূল।
শুক্রবারেও বাগটুইকাণ্ড নিয়ে ফের উত্তপ্ত বিধানসভা। শুক্রবার সকাল থেকেই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিজেপি বিধায়করা। প্রথমে বিধানসভার কক্ষের ভিতরে ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। পরে ওয়াকআউট করে বিজেপি বিধায়করা। বিধানসভার বাইরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন তাঁরা।
বগটুই গ্রামের একাধিক বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনায় ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনা নিয়ে বিধানসভায় বক্তব্য রাখেন পরিষদীয় মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, সরকারকে বদনাম করতে বৃহত্তর রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।
বিধানসভায় আয়কর হানার হুমকি দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাই আলাদা আলাদা করে স্পিকারের কাছে স্বাধিকারভঙ্গের প্রস্তাব দিয়েছিলেন সদ্য বিজেপি থেকে তৃণমূলে আসা চার বিধায়ক।
বিধানসভায় বিজেপির বিরুদ্ধে আক্রমণ শানাতে বন্দুমাত্র পিছপা হননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আমি গরু পাচার-বালি খাদান কেলেঙ্কারি নিয়ে বলে দিই, তাই বিজেপি চলে গেল।