নজরবন্দি ব্যুরোঃ সদ্য সমাপ্ত বিধানসভার নির্বাচনে পশ্চিম ভারতের ছোট্ট রাজ্যে ৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে তৃণমূল। বিধানসভার ফলাফল অসন্তোষজনক হলেও এখনই হাল ছাড়তে নারাজ ঘাসফুল শিবির। মে-জুন মাসে গোয়ার পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রস্তুতি এখন থেকে শুরু করতে চায় তৃণমূল।
আরও পড়ুনঃ Bharat Bandh: আগামী সোম ও মঙ্গল ২ দিনের বনধের ডাক, রাজ্যকে সচল রাখতে নির্দেশিকা নবান্নের


উল্লেখ্য, গোয়ার বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর অভিষেকের বার্তা ছিল মাত্র ৩ মাসের প্রচারে ৬ শতাংশ ভোট তাঁরা পেয়েছেন। তাই আগামী ৫ বছর গোয়ার মাটি কামড়ে পড়ে থাকবেন। সেই প্রক্রিয়া শুরু করেছে তৃণমূল। নির্বাচন পরবর্তী পর্যালোচনা বৈঠক নিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে দলের তরফে।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচনী পর্যবেক্ষক কমিটির চেয়ারম্যান অশোক তানওয়ার। ছিলেন তৃণমূলের দুই সাংসদ ডেরেক-ও-ব্রায়েন এবং সুস্মিতা দেব। উপস্থিত ছিলেন সৌরভ চক্রবর্তী। একইসঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের ২৬ প্রার্থী সহ রাজ্যের দুই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লুজিনহো ফেলেরিও এবং চার্চিল অ্যালেমাও। বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, নির্বাচনের এলাকা বুঝেই প্রার্থী দেবে তৃণমূল।


এর জন্য দলের সমস্ত কর্মসূচী চালিয়ে যাওয়ার কথা জানানো হয়েছে কর্মীদের। অভিযোগ থাকলে সরাসরি শীর্ষ নেতৃত্বকে জানাতে পারবেন দলের কর্মীরা। আগামী কয়েক মাস গোয়ায় একাধিকবার সফর করবেন তৃণমূলের দুই ইনচার্জ সুস্মিতা দেব এবং সৌরভ চক্রবর্তী। মাঝে মধ্যে গিয়ে দলের পরবর্তী কর্মসূচী নির্ধারণ এবং জনসমাবেশ করবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কোথায় দলের গ্রহণযোগ্যতা বেশী, কোথায় জনমত বেশী, সেই এলাকা বুঝেই প্রার্থী দেবে ঘাসফুল শিবির।
বিধানসভার ফলাফল অসন্তোষজনক, পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করল তৃণমূল

উল্লেখ্য, গোয়া নির্বাচনে এবারেও সরকার গঠন করেছে বিজেপি। এবার তাঁদের শরীক হয়েছে বিধানসভা নির্বাচনী পর্বে তৃণমূলের জোট শরীক মহারাষ্ট্রবাদী গোমন্তক পার্টি। খানিকটা চ্যালেঞ্জের কাজ হলেও একেবারে জমি মেপেই নির্বাচনে নামার পরিকল্পনা তৃণমূলের।







