রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দিন সকাল বেলাতেই নিউটাউনের হোটেল থেকে বিধানসভায় আসেন বিধায়করা। সকল বিজেপি বিধায়কদের কাছে ছিল পাঞ্চি। বিধায়কদের কাছে পঞ্চি দেখে অভিযোগ তুলল তৃণমূল। রাষ্টপতি নির্বাচনে পপাঞ্চি পড়ে ভোটারদের প্রভাবিত করছে বিজেপি। সোমবার ভোট চলাকালীন এই অভিযোগ তুলল তৃণমূল।
সকাল বেলাতেই তাঁদের বাসে করে নিয়ে যাওয়া হল। সকাল থেকে শুরু হয়েছে ভোটদান পর্ব। উপস্থিত হয়েছেন সমস্ত বিরোধী দলের বিধায়করা। বিধানসভায় লম্বা লাইন। হাজির তৃণমূলের মন্ত্রী, বিধায়ক এবং সাংসদরাও। ছিলেন ইন্দ্রনীল সেন, শশী পাঁজা, মহুয়া মৈত্ররা।
রাজ্যজুড়ে পালিত হচ্ছে জ্যোতি বসুর ১০৯ তম জন্মদিন। এদিনেও বিধানসভায় সাড়ম্বরে পালিত হল এই দিনটি। সেখানে জ্যোতি বসুর প্রশংসায় একাধিক কথা বলতে শোনা গেল স্পিকারকে। একইসঙ্গে সমালোচনা করতেও পিছপা হলেন না স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। বললেন, একুশে জুলাই গুলি চালানো ঠিক কাজ ছিল না।
১ লক্ষ চাকরি হলে ভুল হতেই পারে। ভুল সংশোধনের সুযোগ দিতে হবে। আমি সেজন্য সাড়ে ৫ হাজার চাকরির কথা বলেছি। দাদামণি বলছেন ১৭ হাজার জনের চাকরি যাবে। দাদামণি যাঁদের চাকরি দিয়েছিলেন, তাঁদের কী হবে? তাঁরা কী বিজেপি বিধায়ক এবং সাংসদদের বাড়িতে ধর্না দেবে?
বিধানসভায় অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগে সাসপেণ্ড হন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সহ শঙ্কর ঘোষ, দীপক বর্মন, মনোজ টিগগা, নরহরি মাহাতো, সুদীপ মুখোপাধ্যায় এবং মিহির গোস্বামী। পরে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তাঁরা। গত তিন দিন ধরে টানাপোড়েন চলছিল। একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিল পাশ -এর পর বৃহস্পতিবার তাঁদের সাসপেনশন তুলে নেওয়া হল।
রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি নিয়ে বিধানসভার ভিতরে পুলিশমন্ত্রীর বিবৃতি দিক। এই দাবিতে কক্ষ ছেড়ে বিধানসভার বাইরে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখালেন বিজেপি বিধায়করা। পুলিশ তথা রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতেই। তিনি এদিন বিধানসভার অধিবেশনে নেই।