অবিলম্বে মোমিনপুরে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হোক। একই সঙ্গে মোমিনপুরে ঘটনার তদন্তভার এনআইএর হাতে তুলে দেওয়া হোক। পাশাপাশি এই ঘটনার পিছনে দেশবিরোধী শক্তির হাত রয়েছে। সোমবার রাজভবনে রাজ্যপাল লা গণেশনের কাছে এই দাবি রাখলেন বিরোধী দলনেতা সহ বিজেপির প্রতিনিধি দল।
শুক্রবার এই বিষয়ে বিধানসভায় নবান্ন অভিযান নিয়ে মুলতুবি প্রস্তাব আনল বিজেপি। স্পিকার তা পাঠ করতে দিলেন বিজেপিকে। তা পড়লেন কুমারগ্রামের বিজেপি বিধায়ক মনোজ ওঁরাও। কিন্তু তা নিয়ে আলোচনা চাইলেন না তাঁরা। আজ মুড নাও থাকতে পারে। জানিয়ে দিলেন বিজেপি বিধায়ক বিষ্ণু প্রসাদ শর্মা।
বিজেপির নবান্ন অভিযানের পরেই ফের উত্তপ্ত হল বিধানসভা। বিধানসভা থেকে বেরিয়ে গেল শাসক ও বিরোধী উভয় পক্ষ। বিধানসভা কক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে বাইরে ধর্না দেখান বিজেপি ও তৃণমূলের বিধায়করা। কিছুক্ষণের মধ্যে বিধানসভা কক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে যান স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। পোস্টার হাতে পবিধানসভা কক্ষের বাইরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন উভয় পক্ষের বিধায়করা।
কখনও ভিডিও কলে আবার কখনও বারির বারান্দায় এসে উপস্থিত হয়েছেন। মঙ্গলবার নাকাশিপাড়ার বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যকে দেখা গেল বিধানসভায়। এদিন বিধানসভার দুটি কমিটির বৈঠকে যোগ দেন তিনি। পরে পরে উপমুখ্যসচেতকের অফিসে কিছু ক্ষণ ছিলেন। কিন্তু সেখান থেকে বেরিয়ে যান।
রাজ্য সরকার রয়েছে, রাজ্য সরকার নিশ্চয়ই কিছু চিন্তাভাবনা করবে ব্যাপারে। কেউ অসুস্থ হতে পারে। কেউ যে কোনও কারণে অনুপস্থিত হতে পারে। তাঁর জন্য বিধানসভার কাজ অসুবিধা হবে। অথবা মন্ত্রীসভার কাজে অসুবিধা হবে এটা আমি বিশ্বাস করি না।