নজরবন্দি ব্যুরোঃ নিরপেক্ষতা বজায় না রেখে সরকারি বিধায়কদের বাড়িতে যাচ্ছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। একইসঙ্গে তাঁদেরকে বিব্রত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। সোমবার ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বিধানসভায় প্রস্তাব আনে রাজ্য সরকার। এই প্রস্তাব অসাংবিধানিক। একথা বিধানসভায় জানালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু এবিষয়ে বিধানসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইডি-সিবিআইয়ের অভিযানের পিছনে রয়েছে বিজেপি ষড়যন্ত্র, জানালেন মমতা।
আরও পড়ুনঃ SSC-TET Scam: নিয়োগ দুর্নীতিতে কে কে টাকার ভাগ পেতেন? একযোগে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় সিবিআই
তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করলে আপত্তি নেই। কিন্তু তদন্তকারী সংস্থাগুলি যেভাবে শাসক দলের বিধায়কদের বিব্রত করার চেষ্টা করছে, তার বিরুদ্ধে তিনি সরব হলেন। বিরোধী দলের বিধায়কদের উদ্দেশ্যে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ইডি, সিবিআই আপনাদের বাড়িতে গেলেও টাকার পাহাড় বের হবে।

সরাসরি শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেন, তোদের বাড়িত্রে যেভাবে টাকার পাহাড় জমেছে, যেভাবে বিরাট ব্যবসা রয়েছে। ক’টা লঞ্চ আছে আমরা জানি। সিবিআই, ইডি তদন্ত করুক। আমরা সঙ্গে থাকব। টাকা কোথা থেকে উদ্ধার হয় আমরা দেখব। ইডি বা সিবিআই-কে যদি রাজ্য থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়, তাহলে রাজ্য দেখিয়ে দেবে বিজেপি নেতাদের কার কাছে কত সম্পত্তি রয়েছে। বাংলার বিজেপি নেতারাই যে এই ষড়যন্ত্রের পিছনে রয়েছেন, তেমনটাই দাবি মমতার।
ইডি-সিবিআইয়ের অভিযানের পিছনে রয়েছে বিজেপি ষড়যন্ত্র, মমতার মন্তব্য ঘিরে চাঞ্চল্য

এরপরেই প্রধানমন্ত্রীর কথা উল্লেখ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবিষয়ে কিছুই জানেন না। ২০২৪ এ সরকারকে বিব্রত করার জন্য এই চক্রান্ত করা হচ্ছে। রাত ১২ টায় ডেকে পাঠানো হচ্ছে। রান্নাঘরের ভিতর ঢুকে যাচ্ছে। একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, যে মামলায় ফিরহাদ হাকিমদের জেলে যেতে হয়। সেই মামলায় শুভেন্দুকে ছাড় কেন? এই প্রশ্ন আজ বিধানসভায় তোলেন মুখ্যমন্ত্রী।



