নজরবন্দি ব্যুরোঃ শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি হেফাজতে রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। শুধুমাত্র স্কুল আর্ভিস কমিশন নয়, টেট দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের। সেইসঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে ২০ কোটির অধিক টাকা। গয়না এবং বিদেশী মুদ্রা। যা নিয়ে বেজায় চাপে রাজ্য সরকার। সেবিষয়ে সরব হলেন বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়।


তিনি বলেন, কার কবে কখন কিভাবে আসবে কেউ জানে না। সুতরাং আজকে যারা অনেকে যারা হাসছে মুচকি মুচকি আগামী দিনে তাঁদের মুখের হাসিটা ফুরিয়েও যেতে পারে। কিছু বলা যায় না। এবং কীভাবে কী হচ্ছে, না হচ্ছে এটা নিয়ে আমাদেরও যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। যেহেতু তদন্ত চলছে, আমি এব্যাপারে কোনও মন্তব্য করব না।

মুখ্যমন্ত্রীর কথা উল্লেখ করে স্পিকারের মন্তব্য, মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী তিনি বলেছেন, টাইম বাউণ্ড তদন্ত চাই। তদন্তের নামে বছরের পর বছর চলতে পারে না। আমাদের কোর্ট অব ক্রিমিনাল প্রসিডিওরে নির্দিষ্ট করে বলা হয়েছে, একটা তদন্ত কবে শেষ করতে হবে। যথেচ্ছে সমস্য তদন্ত, এটা ভাবা যায় না। যেটা আমাদের এখানে আজ হচ্ছে সেটা পৃথিবীর কোনও দেশে হয় না।
পরিষদীয় মন্ত্রী গ্রেফতারে চালাতে অসুবিধা হবে। এটা মনে করছেন না স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আমাদের রাজ্যপাল রয়েছে, রাজ্য সরকার রয়েছে, রাজ্য সরকার নিশ্চয়ই কিছু চিন্তাভাবনা করবে ব্যাপারে। কেউ অসুস্থ হতে পারে। কেউ যে কোনও কারণে অনুপস্থিত হতে পারে। তাঁর জন্য বিধানসভার কাজ অসুবিধা হবে। অথবা মন্ত্রীসভার কাজে অসুবিধা হবে এটা আমি বিশ্বাস করি না।


মন্ত্রীসভার কাজে অসুবিধা হবে মনে করি না, জানালেন স্পিকার

শিক্ষ নিয়োগ দুর্নীতিতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের গ্রেফতারের পর বিধানসভার নাম নষ্ট হবে? এপ্রসঙ্গে স্পিকার বলেন, বিধানসভার মর্যাদার সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই। কারণ, ব্যক্তিগত কে কীভাবে আচরণ করছে, তার সঙ্গে বিধানসভার কোনও সম্পর্ক নেই।







