নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিজেপির নবান্ন অভিযানের পরেই ফের উত্তপ্ত হল বিধানসভা। বিধানসভা থেকে বেরিয়ে গেল শাসক ও বিরোধী উভয় পক্ষ। বিধানসভা কক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে বাইরে ধর্না দেখান বিজেপি ও তৃণমূলের বিধায়করা। কিছুক্ষণের মধ্যে বিধানসভা কক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে যান স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। পোস্টার হাতে বিধানসভা কক্ষের বাইরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন উভয় পক্ষের বিধায়করা।
আরও পড়ুনঃ Anubrata Mondal: অনুব্রতর বিরুদ্ধে মিলেছে একাধিক তথ্য, ফের জেলে গিয়ে জেরা সিবিআইয়ের


বিজেপির নবান্ন অভিযানে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সরব হতে চেয়েছিল বিজেপি। সরকারের দুর্নীতি সহ একাধিক ইস্যু নিয়ে আলোচনার জন্য প্রস্তাব আনতে চেয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু বিরোধী দলনেতাঁকে জানানো হয়, যেহেতু বিষয়টি বিচারাধীন তাই এই বিষয়ে আলোচনা হবে না। এরপর শুভেন্দু অধিকারী দুটি বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্য আবেদন জানান। কিন্তু সেই প্রস্তাব খারিজ করে দেওয়া হয়।

এজন্য প্রস্তাব এনেছিল বিজেপি। কিন্তু সেই প্রস্তাব গৃহিত না হওয়ার কারণে বিধানসভা কক্ষ ছাড়েন বিরোধী দলের বিধায়করা। বিধানসভা ছেড়ে বেরিয়ে যান স্পিকার। সরকারি দলের বিধায়কদের বক্তব্য, দিনের পর দিন বিধানসভার ভিতরে বিক্ষোভ দেখান বিরোধী দলের বিধায়করা। তাঁরা একাধিক অসত্য দাবি করেন। তাই জবাব দেওয়ার জন্যেই তাঁরা বাইরে বেরিয়ে এসেছিলেন।


মন্ত্রী শশী পাঁজা বলেন, এটা বিজেপির কাছে আয়না। বিজেপি বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা করছে সাধারণ মানুষকে। গনতন্ত্রের পরীক্ষা দিয়ে আমরাও এসেছি। তাই আমরা বলতে চাই ডন্ট টাচ মি। তাহলে গণতন্ত্রকে টাচ করবে না। এটা বিজেপির কাছে আয়না। কি বলেছ দেখে নাও। নিজের ক্যাডারদের ওপর নিয়ন্ত্রণ নেই। মানুষকে বিপদে ফেলার চেষ্টা করছেন।
উত্তপ্ত হল বিধানসভা, বিধানসভার বাইরে বিক্ষোভে তৃণমূল-বিজেপি

পাল্টা বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল বলেন, শাসক দলের কাছে কোনও ইস্যু নেই। লজ্জায় কোন উত্তর দিতে পারছে না। যে চুরি কিভাবে হল তার জবাব দিন। আমরা আলোচনা করতে চাই। আজকে মহিলাদেরকে এগিয়ে দেওয়া হয়েছে। কোনও জবাব নেই তাঁদের। যে নিম্নরুচির রাজনীতি শুরু হয়েছে, আমরাও দীপক ঘোষের বইটা পড়তে পারি।







