নজরবন্দি ব্যুরোঃ শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে বারবার বিরোধীদের আক্রমণে সরকারের মুখ পুড়ছে। সোমবার বিধানসভায় এবিষয়ে সরব হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নাম না করে আক্রমণ করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে। তিনি বলেন, ১ লক্ষ চাকরি হলে ভুল হতেই পারে। ভুল সংশোধনের সুযোগ দিতে হবে। আমি সেজন্য সাড়ে ৫ হাজার চাকরির কথা বলেছি। দাদামণি বলছেন ১৭ হাজার জনের চাকরি যাবে। দাদামণি যাঁদের চাকরি দিয়েছিলেন, তাঁদের কী হবে? তাঁরা কী বিজেপি বিধায়ক এবং সাংসদদের বাড়িতে ধর্না দেবে?
আরও পড়ুনঃ Ananda Mahindra: এবার অগ্নিবীরদের নিয়োগ করবে মহিন্দ্রা গ্রুপ, ঘোষণা খোদ আনন্দ মহিন্দ্রার
তিনি আরও বলেন, মুর্শিদাবাদ, দিনাজপুর, পুরলিয়ায় দাদামণিরা প্রচুর চাকরি দিয়েছেন, তাঁদের কি হবে? সরকারে থাকাকালীন প্রচুর মানুষকে চাকরি দিয়েছেন। সরকারে থেকে করে খাবো। বিজেপিতে থেকে করে খাবো। আমি চাকরি দিতে পারি। প্রচুর জনকে চাকরি দিয়েছি। কিন্তু কারোর চাকরি খাইনি। আমি ত্রিপুরার সরকারের মতো নয়। ১০ হাজার জনকে চাকরি দিয়ে চাকরি খেয়ে নেবো।

এদিন কেন্দ্রের অগ্নিপথ প্রকল্পের বিরুদ্ধে সুর চড়ান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, এটা সেনাবাহিনীর ঘোষিত করা হয়নি। এটা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে ঘোষণা করা হয়েছে। ২০২৪ এর নির্বাচনে ক্যাডার তৈরি করতেই এই ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। ৪ বছরের চাকরি চলে গেলে কি হবে কেউ জানে না। অথচ সবাই বন্দুক চালানোর লাইসেন্স পেয়ে গেল। এটা সেনা বাহিনীকে অপমান।
দাদামণি যাঁদের চাকরি দিয়েছিলেন, তাঁরা কী বিজেপি নেতাদের বাড়ির সামনে ধর্না দেবে?

সোমবার অধিবেশন শুরু হতেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল বিধানসভা। বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর ভাষণ চলাকালীন হই হট্টগোল বিজেপির। বিধানসভা থেকে ওয়াক আউটের সিদ্ধান্ত বিজেপি বিধায়কদের। বিধানসভা থেকে বাইরে বেরিয়ে শুরু হল বিজেপির মিছিল। রেড রোডের দিকে এগিয়ে চলে মিছিল।



