নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিধানসভায় অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগে সাসপেণ্ড হন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সহ শঙ্কর ঘোষ, দীপক বর্মন, মনোজ টিগগা, নরহরি মাহাতো, সুদীপ মুখোপাধ্যায় এবং মিহির গোস্বামী। পরে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তাঁরা। গত তিন দিন ধরে টানাপোড়েন চলছিল। একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিল পাশ -এর পর বৃহস্পতিবার তাঁদের সাসপেনশন তুলে নেওয়া হল।
আরও পড়ুনঃ Agnipath Scheme: সেনাবাহিনীতে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ, ‘অগ্নিপথ’ প্রকল্প ঘিরে জ্বলছে দেশ।


চলতি সপ্তাহেই শুভেন্দু অধিকারীরা সাসপেনশন তুলে নেওয়ার জন্য স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আবেদন জানান। কিন্তু গত সোমবার স্পিকার জানিয়েছেন, সাসপেনশন প্রত্যাহারের আবেদনে পদ্ধতিগত ত্রুটি আছে। তাই তা গ্রহণ করা হয়নি। এর প্রতিবাদে বিধানসভা গেটের বাইরে পোস্টার হাতে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন বিজেপি বিধায়করা। এরইর মধ্যে বিধানসভায় পাশ হয় রাজ্যপালকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য পদ থেকে সরিয়ে নেওয়ার বিল। সেইসঙ্গে বেসরকারী কলেজগুলির ভিজিটর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় রাজ্যপালকে। ঠিক তার পরেই শুভেন্দুদের সাসপেনশন তুলে নেওয়া হল।

এদিন শুভেন্দুদের নতুন প্রস্তাব নিয়ে অধিবেশনে আলোচনা হয়। তারপর আনুষ্ঠানিক ভাবে স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় শুভেন্দু অধিকারী-সহ বিজেপি বিধায়কদের সাসপেনশন প্রত্যাহারের কথা আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষণা করেন।
পরিষদীয় মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমরা তিক্ততা চাই না। সকলকে বলব মোশানকে সমর্থন করুন। আমরা সকলে মিলে বিধানসভা চালাব। কাউকে বাইরে রেখে বিধানসভা চালাতে চাই না। কিন্তু বিধানসভা যেমন বিরোধীদের ছাড়া চলতে পারে না। তেমনই বিরোধীদেরও কিছু দায়িত্ব, কর্তব্য রয়েছে। যা তাঁদের পালন করা উচিত।


একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিল পাশ, তারপরেই অনুমতি পেলেন শুভেন্দুরা

অন্যদিকে, বিজেপির বিধানসভার মুখ্য সচেতক মনোজ টিগ্গা বলেন, আমাদের সাসপেনশন অবৈধ। আমরা আদালতে গেছি। আদালতের নির্দেশেই মোশান এনেছিলাম। আমরা মনে করি, এটা আমাদের জয়।







