এই পরিবহন মন্ত্রী বলেন, আমরা সম্পূর্ণ ভাবে তৈরি রয়েছি। আমাদের নতুন করে আর প্রচারের প্রয়োজন পরে না। আমরা সারাবছর সাধারন মানুষের পাশেই থাকি তাই আমাদের জয় নিশ্চিত। তাই সারাবছরের পড়াশোনাই যথেষ্ট শেষ মুহূর্তে নতুন করে কিছু করার প্রয়োজন আমাদের পড়বে না।
এই প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তৃণমূল নেতা শান্তনু সেন। তিনি বলেন, " আমাদের সঙ্গে দেখা করে অমিত শাহ আশ্বাস দিয়ে বলেন গতকাল ই ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। প্রয়োজনে আবার ও বলব। "
রাজ লেখেন, ” খুনের চেষ্টার অভিযোগে যুব তৃণমূলের সভাপতি সায়নী ঘোষের এই গ্রেপ্তারি ইঙ্গিত দিচ্ছে কাপুরুষ মুখ্যমন্ত্রী ভয় পেয়েছেন আর ত্রিপুরাতেও ‘খেলা হবে’।” তবে এখানেই শেষ নয় , তিনি আরও বলেন অভিষেক ব্যানার্জি ত্রিপুরা পৌঁছতেই খেলা শুরু হয়ে যাবে"।
এবার তারই আঁচ আসে পড়ল শহরের বুকে। গতকাল ত্রিপুরার মাটিতে তৃণমূল নেতাদের উপর আক্রমন ও সায়নী ঘোষ কে আটক করা কে কেন্দ্র করে আজ বিজেপির সদর দপ্তরে বিক্ষোভ দেখারতে শুরু করে রাজ্যের ঘাসফুল সমর্থকরা।
অন্যান্যবারের তুলনায় এবারের বিধানসভা নির্বাচনে ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে রাজ্যে ক্ষমতায় ফিরেছে ঘাসফুয়ল শিবির। এরপর থেকেই পূব ঘোষণা অনুযায়ী ছাত্রদের ক্রেডিট কার্ডের পাশাপাশি লক্ষ্মী ভাণ্ডার ও দুয়ারে রেশনের মত একাধিক প্রকল্পের সূচনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপর থেকেই বিভিন্ন জেলার প্রশাসনিক বৈঠক থেকে শিল্পায়ন নিয়ে নিজের ভাবনা তুলে ধরেন তিনি।
সেইসময় পরিস্থিতির সামাল দিতে মাইক্রোফোন হাতে তুলে নেন বাবুল। তিনি বলেন, “ভেবে দেখুন, নেতারা কতখানি অহংকারি হলে, নিচুতলার নেতাদের সঙ্গে কতটা দুর্ব্যবহার করলে, এই গানটা যে ছেলেটা লিখেছিল, সেও আজ দল বদলে দিদির হাত ধরে তৃণমূলে চলে আসে।”
আজ হাওড়ার প্রশাসনিক বৈঠক থেকে রাজ্যের মৎস্য দফতরের সচিব অত্রি ভট্টাচার্যের সঙ্গে আলোচনা করে মুখ্যমন্ত্রী বড় ফিশিং হাব করার জন্য বেশ কিছু এলাকা পরিদর্শনের নির্দেশ দেন।