তিনি বলেন, ‘আরে মদন মিত্র কিছু বলল না তো! ওকে তো আমি এতক্ষণ দেখতেই পাইনি!’ এরপরেই সৌগত রায়ের তরফ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে বলতে শোনা যায় মদন কে কিছু বলতে দেওয়ার কথা।
সেই কারনে সাধারন মানুষের সুবিধার্থে বিশেষ হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর চালু করল রাজ্যের খাদ্য দফতর।সেইমত, রাজ্য সরকারের দ্বারা চালু হওয়া ৯৯০৩০৫৫৫০৫ নম্বরে 'হাই' লিখে হোয়াটসঅ্যাপ করলেই দুয়ারে রেশনের সুবিধা পাবেন রাজ্যের প্রতিটি নাগরিক।
সভা মঞ্চ থেকেই বারাসতের বাসিন্দাদের জন্য নয়া পরিকল্পনার উল্লেখ করতে শোনা যায় রাজ্য সরকারের দায়িত্ব প্রাপ্ত তথা জনপ্রিয় অভিনেতা চিরঞ্জিত চক্রবর্তী কে। মূলত বারাসতে র বুকে শহর কলকাতার মত নন্দনের আদলে একটি অডিটোরিয়াম তৈরির উল্লেখ করেন তিনি। পাশাপাশি সেখানে একটি ক্যাফেটেরিয়া ও একটি প্রদর্শনী চালু করার ও কথা শোনা যায় তার মুখ থেকে।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ছাত্র-ছাত্রীরা আমাদের দেশের ভবিষ্যৎ। তাই এবার থেকে বছরের প্রথম দিনটি এবার থেকে ছাত্র-ছাত্রীদের উৎসর্গ করা হল। তাই অন্যান্য বছর গুলি এই দিনটি মা-মাটি-মানুষ দিবস হিসেবে পালিত হলেও আগামী বছর থেকে তা ছাত্র-ছাত্রীদের দিবস হিসেবে পালিত হবে।
তিনি বলেন, " ভোটের আগে পার্টি ছেড়ে অনেকে বেরিয়ে গিয়েছিল। তাঁরাই এখন দিদির ছবি নিয়ে ঘুরছে। তাঁদের অন্তত হাওড়ায় আসতে দেওয়া হবে না। আমি বেঁচে থাকতে তাদের হাওড়ায় ঢুকতে দেব না। প্রয়োজন হলে আমি পদত্যাগ করব। দল যদি বলে তাহলে দল ছেড়ে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর পায়ের কাছে পড়ে থাকব। কিন্তু গদ্দারদের ঢুকতে দেব না।”
তিনি বলেন, " সুব্রত দাকে দেখে মনে হত এই লোকটার মৃত্যু হবে না।এত হাসিখুশি মানুষ ছিলেন তিনি। যেকোনো গম্ভীর পরিবেশকে আনন্দময় করে তুলতেন তিনি। যেকোনো গম্ভীর পরিবেশে আলোচনা চলছে অথবা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বসে রয়েছেন দুম করে এমন কিছু বলে উঠতেন গম্ভীর পরিবেশটা কেটে যেত’।
তিনি লেখেন, সবাইকে আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি করোনা পরিস্থিতিতে ভালো কাজ করার জন্য গোল্ডেন পুরস্কার অর্জন করেছে আমাদের রাজ্য। যা দেখে খুশি রাজ্যবাসী। মুখ্যমন্ত্রী র এই ঘোষণার পরেই সকল কে অভিনন্দন জানান রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। উল্লেখ্য, এর আগে ও সরকারি ক্ষেত্রে ভালো ফলাফলের দরুন গোল্ড পুরস্কার পেয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার।