ফের একবার বিতর্কে জড়ালেন উত্তরবঙ্গের উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহ। বিজেপি কর্মীদের ঘর থেকে বার করে মারধর করার মতো 'হুমকি' শোনা গেল তাঁর গলায়। তৃণমূলের তরফে উদয়নের এই মন্তব্যকে সমর্থন না জানানো হলেও উত্তরবঙ্গের উত্তপ্ত পরিস্থিতির যে বিজেপিই দায়ী তা স্পষ্ট করে বলা হয়েছে।
সরকারি জমি দখল করে পার্টি অফিস তৈরি প্রসঙ্গে ভাঙড়ের বিধায়ক তথা তথা আইএসএফ নেতা নওশাদ সিদ্দিকি বলেছেন, "সিন্ডিকেট রাজ চালাচ্ছেন আরাবুল। এর সঙ্গে যুক্ত আছে বামনঘাটার প্রধান ও উপপ্রধান। এই অনৈতিক কাজ বন্ধ না হলে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলনে সামিল হব আমরা।"
ফের একবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সহ বিজেপি নেতাদের বিপুল সম্পত্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলল রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল। সোমবার রাজ্যের দুই মন্ত্রী শশী পাঁজা ও পার্থ ভৌমিক একটি সাংবাদিক বৈঠক করেন। সেখানেই উঠে আসে এই প্রসঙ্গ। তাঁদের দাবি, বিজেপি নেতারা কি ধোয়া তুলসী পাতা নাকি যে ওদের বিরুদ্ধে সিবিআই, ইডি, ইনকাম ট্যাক্স তদন্ত হবে না!
রবিবার সক্কালবেলা থেকে পুরনিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে তৎপর সিবিআই। শাসক দলের দুই হেভিওয়েট নেতা ফিরহাদ হাকিম ও মদন মিত্রের পাশাপাশি রাজ্যের ১২ জায়গায় হানা দিয়েছে এজেন্সি। এজেন্সির এই তল্লাশি প্রসঙ্গে কিন্তু ফের একবার 'নব্য বনাম পুরাতন তৃণমূল' বিতর্ক উস্কে দিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। ঠিক কি বলেছেন তিনি?
সাম্প্রতিক সময়ে তৃণমূলের এক একটা কর্মসূচির পাল্টা প্ল্যান বিজেপির থাকেই। এই মুহূর্তে কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে রাজভবনের সামনের অবস্থান ধর্নায় আছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও জানিয়ে দিলেন, তিনি ১ লক্ষ লোক নিয়ে কলকাতায় সমাবেশ করতে চলেছেন। গেরুয়া নেতার কথায়, এই লোকেরা যোগ্য হলেও কেন্দ্রীয় প্রকল্প থেকে বঞ্চিত। আর এই সমাবেশে উপস্থিত থাকতে পারেন কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।