নজরবন্দি ব্যুরো: ফের একবার বিতর্কে জড়ালেন তৃণমূলের দাপুটে নেতা আরাবুল ইসলাম। ভাঙড়ের নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি নাকি সরকারি জমি দখল করে তৃণমূলের পার্টি অফিস তৈরি করছেন আর এই বিষয়টি নিয়ে সরব হলেন ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি।
আরও পড়ুন: ফের নিয়োগ দুর্নীতি তদন্তে তৎপর ED, কুন্তলের আবাসনে নতুন করে তল্লাশি


জানা যাচ্ছে, বাসন্তী রাজ্য-সড়ক লাগোয়া বামনঘাটা বাজারের কাছে সেচ দফতরের একটি জায়গা দখল করেছেন আরাবুল ইসলাম এবং সেখানেই তৈরি হচ্ছে তৃণমূলের পার্টি অফিস! আর এই পার্টি অফিস তৈরির কথা স্বীকারও করে নিয়েছেন আরাবুল। বিরোধীদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আরাবুলের বক্তব্য, “এখানে আগেই তৃণমূলের একটা পার্টি অফিস ছিল। সেটা ভেঙে যাওয়াতেই আবার নতুন করে তৈরি হচ্ছে।”

সঙ্গে তিনি আরও বলেছেন, “এই জায়গা সেচ দফতরের সে কথা আমার জানা। যদি কোনোদিন তাঁদের কাজে লাগে তাহলে আমরা জায়গা ছেড়ে দিতে প্রস্তুত। তবে যে কথা বলা হচ্ছে যে এটা সরকারি জমি, বিষয়টা আদৌ তা নয়।” আরাবুলের দাবি, এই জমি মূলত ক্যানেলের একটি অংশ। আর পার্টি অফিস তৈরির বিষয়ে কিন্তু আরাবুলের গলায় উঠে এল বাম আমলের প্রসঙ্গ। বিষয়টি ঠিক কি?



ভাঙড়ের দাপুটে নেতা বলছেন, “সিপিএম ক্ষমতায় থাকার সময় এরকম অনেক জমি দখল করে পার্টি অফিস তৈরি করা হয়েছে, তৃণমূল আজ অব্দি এই ধরনের কোন কাজ করেনি। বিরোধীরা শুধু শুধু অশান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে।”
সরকারি জমিতে পার্টি অফিস তৈরির অভিযোগ, আরাবুলের সাফাই বাম আমলে এসব আকছার হত!
সরকারি জমি দখল করে পার্টি অফিস তৈরি প্রসঙ্গে ভাঙড়ের বিধায়ক তথা তথা আইএসএফ নেতা নওশাদ সিদ্দিকি বলেছেন, “সিন্ডিকেট রাজ চালাচ্ছেন আরাবুল। এর সঙ্গে যুক্ত আছে বামনঘাটার প্রধান ও উপপ্রধান। এই অনৈতিক কাজ বন্ধ না হলে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলনে সামিল হব আমরা।”








