নজরবন্দি ব্যুরোঃ রবিবার সক্কালবেলা থেকে পুরনিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে তৎপর সিবিআই। শাসক দলের দুই হেভিওয়েট নেতা ফিরহাদ হাকিম ও মদন মিত্রের পাশাপাশি রাজ্যের ১২ জায়গায় হানা দিয়েছে এজেন্সি। এজেন্সির এই তল্লাশি প্রসঙ্গে কিন্তু ফের একবার ‘নব্য বনাম পুরাতন তৃণমূল’ বিতর্ক উস্কে দিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। ঠিক কি বলেছেন তিনি?
আরও পড়ুনঃ অভিষেকের ফাঁস করা নম্বরে ফোন এল ‘চোরদের টাকা দেবেন না দাদা!’, সরব সুকান্ত
ফিরহাদ হাকিম এবং মদন মিত্রের বাড়িতে কেন্দ্রীয় এজেন্সির হানা প্রসঙ্গে তৃণমূল দাবি করেছে, রাজভবনের সামনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর্না থেকে নজর ঘোরাতেই সিবিআইকে রাজনৈতিক ময়দানে ব্যবহার করছে বিজেপি। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “আমি তো খবর পেলাম, ফিরহাদ হাকিম ও মদন মিত্রের বাড়িতে সিবিআই হানায় খুশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়! এটা পুরনো তৃণমূল আর নতুন তৃণমূলের দ্বন্দ্ব কিনা খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে। আমি তো শুনলাম উনি খুব একটা চিন্তিত নন। এদের এবার শেষ করে দেওয়া যাবে ভেবে তিনি খুশি।”

সঙ্গে তিনি আরও বলেন, “এখন দু’টো তৃণমূল চলছে। একটা হরিশ চ্যাটার্জী আরেকটা হরিশ ব্যানার্জী। পুরনো তৃণমূল নেতাদের ছাঁটাই করার কাজ চলছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে। আরও বড় বড় চোরেদের বসানো হচ্ছে সেই সব জায়গায়। দলে নিরঙ্কুশ ক্ষমতা দখল করতে চাইছেন অভিষেক। পুরনো নেতারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুরাগী। তাই তাঁরা থাকলে অভিষেকের অসুবিধা।”

ফিরহাদ-মদনের বাড়িতে CBI হানায় খুশি অভিষেক? জল্পনা উস্কে দিলেন সুকান্ত
অন্যদিকে, রাজভবনের ধর্নামঞ্চ থেকে বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের নম্বর ফাঁস করেছিলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি ছিল, কেন্দ্রের টাকা থেকে ‘বঞ্চিত’ বাংলার মানুষরা সেই নম্বরে ফোন করে টাকা চাইবেন। কিন্তু হল এর বিপরীত!
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফাঁস করা নম্বরে একটি ফোন আসে সুকান্ত মজুমদারের কাছে। সেখানেই ‘এক সাধারণ ব্যক্তি’ বিজেপি রাজ্য সভাপতিকে অনুরোধ করেছেন, “কোনওভাবেই এই চোরদের টাকা দেবেন না দাদা!” বারংবার সেই ব্যক্তিকে একই অনুরোধ করতে শোনা যায়। আর এই ফোন রেকর্ডিংটি (অডিও-র সত্যতা যাচাই করেনি নজরবন্দি) নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে প্রকাশ করেছেন সুকান্ত মজুমদার।




