নজরবন্দি ব্যুরো: রাজভবনের ধর্নামঞ্চ থেকে বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের নম্বর ফাঁস করেছিলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি ছিল, কেন্দ্রের টাকা থেকে ‘বঞ্চিত’ বাংলার মানুষরা সেই নম্বরে ফোন করে টাকা চাইবেন। কিন্তু হল এর বিপরীত! ঠিক কী ব্যাপার?
আরও পড়ুনঃ অভিষেকের ধর্না থেকে নজর ঘোরাতেই নেতাদের বাড়িতে CBI হানা, অঙ্ক পরিষ্কার করল তৃণমূল
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফাঁস করা নম্বরে একটি ফোন আসে সুকান্ত মজুমদারের কাছে। সেখানেই ‘এক সাধারণ ব্যক্তি’ বিজেপি রাজ্য সভাপতিকে অনুরোধ করেছেন, “কোনওভাবেই এই চোরদের টাকা দেবেন না দাদা!” বারংবার সেই ব্যক্তিকে একই অনুরোধ করতে শোনা যায়। আর এই ফোন রেকর্ডিংটি (অডিও-র সত্যতা যাচাই করেনি নজরবন্দি) নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে প্রকাশ করেছেন সুকান্ত মজুমদার।

অডিও পোস্টের সঙ্গে সুকান্ত মজুমদার লিখেছেন, “আঞ্চলিক দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ওরফে ভাইপো আমার নম্বর পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে দেওয়ার পর সাধারণ জনগণ আমাকে ফোন করে চোরেদের টাকা দিতে বারণ করছেন। স্পষ্ট কথা জনগণের কষ্টার্জিত ট্যাক্সের টাকার হিসাব দিন, আমরা জনগণের টাকা জনগণের হাতে তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করবো। ২৫ লাখ ভুয়ো জব কার্ডের টাকা কাদের পেটে গেলো এটা পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষের জানার অধিকার আছে। যতক্ষণ হিসাব নয় ততক্ষণ একটি পয়সাও নয়।”
অভিষেকের ফাঁস করা নম্বরে ফোন এল ‘চোরদের টাকা দেবেন না দাদা!’, সরব সুকান্ত

একশো দিনের কাজের বকেয়া টাকা নিয়ে রাজ্য-কেন্দ্র সংঘাত তুঙ্গে। দিল্লিতে প্রতিবাদ জানিয়ে এই মুহূর্তে রাজভবনের উত্তর গেটে ধর্নায় বসেছে তৃণমূল। তিন দিন ধরে সেখানেই রয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির তরফে বারবারই অভিযোগ করা হচ্ছে, এসবই তৃণমূলের নাটক। কেন্দ্র থেকে যা টাকা এসেছে তা সম্পূর্ণ খরচ করতে পারেনি রাজ্য সরকার সেই দাবি তুলেছেন সুকান্ত মজুমদার।
এরই মধ্যে দল পরিবর্তনকারী নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছ থেকে জেনে নিয়ে সুকান্ত মজুমদারের নম্বর সর্বসমক্ষে ফাঁস করে দেন অভিষেক। বলেও দেন, এই নম্বরে ফোন করে টাকা চাইতে। এক দিন পেরোতে না পেরোতেই সেই নম্বরে ফোন এল এবং টাকা না দেওয়ার অনুরোধও এল।




