উত্তরবঙ্গের দিকে যেমন বিশেষ নজর রয়েছে নেতৃত্বের। তেমনই জঙ্গলমহলের দিকে নজর দিচ্ছে শাসক দল। তাই দলীয় নেতাদের সঙ্গে সাংগঠনিক বিষয়ে বৈঠকে করার পরেই জঙ্গলমহল সফরের কথা ঘোষণা করলেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামীকাল বাঁকুড়া সফরে যাচ্ছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকেই জঙ্গলমহলের যাত্রা শুরু করতে চান তিনি।
বাঁকুড়া পুলিশের এই অভিনব উদ্যোগ নিয়ে সারা রাজ্য জুড়ে তোলপাড় হয়েছে। অঙ্কুর নামে বাঁকুড়া পুলিশের সেই প্রকল্পের স্থগিতাদেশ জারি রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার এমনটাই জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তিনি জানিয়েছেন, এটা স্থানীয় প্রশাসনের সিদ্ধান্ত। এবিষয়ে শিক্ষা দফতরের কোনও অনুমোদন ছিল না। অর্থাৎ, সিভিক ভলেন্টিয়ারদের শিক্ষা প্রদানে স্থগিতাদেশ দেওয়া হল।
রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগতে দেখা গেছে সাওতালি সংগঠনের নেতাদের। আগামী দিনে বিরাট আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন চাকরি প্রার্থীরা। এবার তাঁদের নিশানায় জঙ্গলমহলের শাসক দলের তিন বিধায়ক। এমনকি দুর্নীতিতে যুক্ত আধিকারিকদেরও গণধোলাই দেওয়ার নিদান দেন ভারত জাকাত মাঝি পারগানা মহলের শীর্ষ নেতা বিপ্লব সোরেন।
সাঁওতালি মাধ্যমে শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নের প্রয়োজন। এই দাবিতে পশ্চিমের চার জেলায় বিক্ষোভে নামল আদিবাসী সংগঠন ভারত জাকাত মাঝি পারগানা মহল। বুধবার সকাল থেকেই পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া ও বাঁকুড়ার একাধিক রাস্তা অবরোধ করে চলছে বিক্ষোভ কর্মসূচি।
ডেপুটেশন জমা দিতে গিয়ে বিডিওকে আঙুল উঁচিয়ে কথা বললেন বাঁকুড়ার বিধায়ক নীলাদ্রিশেখর দানা। বাঁকুড়ার ১ নম্বরের বিডিওর বিরুদ্ধে আঙুল তুলে কথা বলতে দেখা যাচ্ছে বিজেপি বিধায়ককে। বেছে বেছে কেন বিজেপির লোকদের সুবিধে থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে? না পারলে চাকরি ছেড়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
অভিযোগ, আদালতের নির্দেশকে অমান্য করে গন্ধেশ্বরী নদী চরে সভাস্থল ঠিক করা হয়েছে। নষ্ট হচ্ছে বাস্তুতন্ত্র। ইতিমধ্যেই সেই ঘটনার প্রতিবাদে পথে নেমেছে গন্ধেশ্বরী নদী বাঁচাও কমিটি, বিজ্ঞানমঞ্চ। নদীচরে মুখ্যমন্ত্রীর সভায় কীভাবে অনুমতি মিলল? তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বিরোধীরা।