নজরবন্দি ব্যুরোঃ সাঁওতালি মাধ্যমে শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নের প্রয়োজন। এই দাবিতে পশ্চিমের চার জেলায় বিক্ষোভে নামল আদিবাসী সংগঠন ভারত জাকাত মাঝি পারগানা মহল। এবিষয়ে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগতে দেখা গেছে সাওতালি সংগঠনের নেতাদের। আগামী দিনে বিরাট আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন চাকরি প্রার্থীরা। এবার তাঁদের নিশানায় জঙ্গলমহলের শাসক দলের তিন বিধায়ক। এমনকি দুর্নীতিতে যুক্ত আধিকারিকদেরও গণধোলাই দেওয়ার নিদান দেন ভারত জাকাত মাঝি পারগানা মহলের শীর্ষ নেতা বিপ্লব সোরেন।
আরও পড়ুনঃ শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নের প্রয়োজন, একগুচ্ছ দাবিতে আদিবাসী সংগঠনের বিক্ষোভ, অবরুদ্ধ ৪ জেলা


আদিবাসী সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে, সাঁওতালি মাধ্যমের স্কুলগুলিতে স্থায়ী শিক্ষক নিয়োগ এবং পার্শ্বশিক্ষকদের নিয়োগের দাবি তুলেছেন তাঁরা। প্রত্যেকটি জেলায় সাঁওতালি মাধ্যমে কলেজ স্থাপন, সঠিক সময়ে পুস্তক প্রদান নিয়েও সরব হয়েছেন তাঁরা।
অন্যদিকে, সাধু রামচাঁদ মুর্মু বিশ্ববিদ্যালয়ে অবিলম্বে সাঁওতালি মাধ্যমে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি কোর্স চালু করার দাবিও জানিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। আলাদা করে সাঁওতালি নাচ ও গানের কোর্স চালু করার দাবি তুলেছেন তাঁরা। পাশাপাশি আদিবাসী হোস্টেল চালু করতে হবে দ্রুত। কয়লা খনির জন্য আদিবসীদের উচ্ছেদের বিরোধিতা করেছেন বিক্ষোভকারীরা।

এদিন সকাল ছ’টা থেকে শুরু হয়েছে বিক্ষোভ কর্মসূচি। বেলা যত গড়াতে শুরু করে ততই বাড়তে শুরু করে বিক্ষোভের চেহারা। ১২ ঘণ্টা অবধি কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সকাল থেকে আদিবাসী সংগঠনের এই চাক্কা জ্যাম কর্মসূচির জেরে বেহাল পরিবহন ব্যবস্থা। থমকে রয়েছে গাড়ির চাকা। একাধিক জায়গায় জাতীয় সড়ক আটকে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছেন আদিবাসীর সংগঠন।


নাম না করে শাসক দলের তিন বিধায়কদের বিরুদ্ধে তোপ দাগতে দেখা গেছে। তাঁদের বক্তব্য, জনতার ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন তিন বিধায়ক। মাস ফুরলে মোটা অঙ্কের বেতন পান। কিন্তু জঙ্গলমহলের মানুষের অভাবের কথা বিধানসভায় তাঁরা তুলে ধরেন না।
দুর্নীতিতে যুক্ত আধিকারিকদেরও গণধোলাই, তোলপাড় রাজনৈতিক মহল

আদিবাসী সংগঠনের বাঁকুড়া জেলা সভাপতি বিপ্লব সরেন বলেন, জঙ্গলমহলের উন্নয়নের কথা বলা হচ্ছে! অথচ রাইপুর ব্লক এলাকায় দিকে দিকে দুর্নীতি৷ এমন কিছু গ্রাম আছে যেখানে আবাস যোজনার সার্ভে পর্যন্ত করা হয়নি। ঘরে বসে শাসকদলের নেতাদের কথা মতো লিস্ট তৈরি করেছেন বিডিও অফিসের কর্মীরা৷ এরপরেই তাঁর বক্তব্য, বিডিও অফিসের কর্মীদের ধরে গণধোলাই দিতে হবে।







