বাবার মৃত্যুর পর তার চাকরি স্বচ্ছন্দে পেতে পারতেন তিনি, তবে তা গ্রহণ করেননি অর্পিতা। চিরকালই গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ডের প্রতি তার মারাত্মক ঝোঁক। সরকারি চাকরি ছেড়ে মডেলিং ইন্ডাস্ট্রিতে যোগ দিয়েছিলেন। পরে সুযোগ পান অভিনয়ে। অভিনেতা বনি সেনগুপ্তর বাবা অনুপ সেনগুপ্তর সঙ্গে তিনটি ছবি-‘মামা ভাগ্নে’, ‘প্রতিদ্বন্দ্বী’, এবং ‘বাংলা বাঁচাও’ ছবিতে কাজ করেছেন তিনি।
ইডির বাজেয়াপ্ত জিনিসপত্রের তালিকায় একটি কালো ডায়েরির কথা উল্লেখ করা হয়েছিল। কী রয়েছে সেই কালো ডায়েরিতে? আর্থিক লেনদেনের হিসেব? তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল। এবার সেই ডায়েরি ঘিরেই উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য।কালো ডায়েরিতে চাকরী প্রার্থীদের নাম! সাংকেতিক ভাষায় কী লেখা?
কথায় আছে, বিপদের সময় নাকি মানুষকে ভালো করে চেনা যায়। কিন্তু দিদিমণি বিপদে পড়ে একজনকে ঠিক চিনতেই পারছেন না। যখন ববির ওখানে যেত আসতো, পার্থদার সঙ্গে তৃণমূলের মঞ্চ আলো করে ভোটের প্রচার করত তখন তো দেখলেই বলতেন "কেমতি আছন্তি"। এখন একটু খোঁজ নিয়ে জিজ্ঞেস করুন: "কেমতি আছন্তি
শিক্ষক নিয়োগ ‘দুর্নীতি’র মামলায় গত শুক্রবার সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ পার্থর নাকতলার বাড়িতে হানা দেয় ইডির দল। সেই সময় থেকে টানা প্রায় ২৭ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় মন্ত্রীকে। পরের দিন অর্থাৎ শনিবার সকালে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। এখন আদালতের নির্দেশের আগামী ৩ আগস্ট পর্যন্ত পার্থ এবং অর্পিতা দুজনেই ইডি হেফাজতে থাকবেন।
কেন্দ্রীয় সংস্থার দাবি, এই দুর্নীতিতে শুধু পার্থ চট্টোপাধায় বা অর্পিতা মুখোপাধ্যায় জড়িয়ে এমনটা নয়। এই বৃহত্তম স্ক্যামের পেছনে রয়েছে আরও অনেক প্রভাবশালী। তাঁদের খুঁজে বার করতে পার্থ এবং অর্পিতাকে আরও জেরা করার প্রয়োজন রয়েছে। ইডির এই দাবিকে সঙ্গত মনে করে গতকালই পার্থ এবং অর্পিতাকে ৩ আগস্ট পর্যন্ত হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে বিপুল অঙ্কের অর্থ সহ একাধিক তথ্য সংগ্রহ করে ইডি। সেই সমস্ত তথ্যকে হাতিয়ার করে আগামী দিনে আরও অনেক তথ্য হাতে পেতে চান ইডির আধিকারিকরা। কিন্তু সেই সমস্ত তথ্যের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল অর্পিতার বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া কালো ডায়েরি। শিক্ষক নিয়োগে কালো ডায়েরি থেকে কী খোঁজার চেষ্টা করছে ইডি?