হুগলির জাঙ্গিপাড়া থানা এলাকার দিলাকাশ পঞ্চায়েতের অন্তর্গত মথুরাবাটি গ্রামে মামাবাড়ি অভিনেত্রী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের। ওই গ্রামেই মামার বাড়ি থেকে অনতি দূরে একটি বাড়ি তৈরি করেছিলেনহ অর্পিতা। সেখানেই থাকতেন তিনি। এমনকি অর্পিতার মামার বাড়িতে ঘন ঘন যেত পার্থ। এই চর্চা শুরু করেছেন গ্রামের বাসিন্দারা। তাঁদের বক্তব্য, মন্ত্রী আসার আগে পুলিশে পুলিশে ছয়লাপ হয়ে যেত গোটা গ্রাম জুড়ে। পাড়ার পুকুরে ছিপ ফেলার সময় মানুষের চলা দায় হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
ইডি সূত্রে খবর, অর্পিতার বিরুদ্ধে তদন্তে নেমে তিনটি সংস্থা হাতে পাওয়া গেছে। এর মধ্যে একটি ইঞ্জিনিয়ারিং, একটি ট্রেডিং এবং তৃতীয় এন্টারটেইনমেন্ট মূলক সংস্থা। ওই সংস্থাগুলির ডিরেক্টর পদে রয়েছে অর্পিতা। তিনটি ভুয়ো সংস্থা চালাতেন অর্পিতা। এর মধ্যে একটি রয়েছে ডায়মণ্ড সিটি ঠিকানায়, একটি বেলঘড়িয়ায় শেষটি রয়েছে রাজডাঙার ঠিকানায়। ইডির অনুমান, এই সংস্থাগুলিকে কাজে লাগিয়ে টাকা সরানো হত।
শনিবার সন্ধ্যায় অর্পিতাকে বাড়ি থেকে বার করে জোকার ইএসআই হাসপাতালে নিয়ে যায় ইডি। বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় অর্পিতা দাবি করেন, ‘‘আমি কোনও অন্যায় করিনি। বিজেপির চাল। আমাকে ফাঁসানো হয়েছে।’’ রবিবার সকালে আবারও তাঁকে জোকার ওই হাসপাতালে নিয়ে যায় ইডি। আইনের প্রতি তাঁর আস্থা রয়েছে বলে মন্তব্য করেন অর্পিতা।
শনিবার সন্ধ্যায় অর্পিতাকে বাড়ি থেকে বার করে জোকার ইএসআই হাসপাতালে নিয়ে যায় ইডি। বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় অর্পিতা দাবি করেন, ‘‘আমি কোনও অন্যায় করিনি। বিজেপির চাল। আমাকে ফাঁসানো হয়েছে।’’ রবিবার সকালে আবারও তাঁকে জোকার ওই হাসপাতালে নিয়ে যায় ইডি। আইনের প্রতি তাঁর আস্থা রয়েছে বলে মন্তব্য করেন অর্পিতা।
জানা গিয়েছে, কলকাতার বেলঘরিয়া অঞ্চলেই রয়েছে অর্পিতার তিনটি ফ্ল্যাট ও একটি বাড়ি। এছাড়াও ডায়মন্ড সাউথ সিটিতেই রয়েছে আরও চারটি ফ্ল্যাট। বেলঘরিয়া রথতলা এলাকায় "ক্লাব টাউন হাইটস" নামের আবাসনেই তাঁর দুটি ফ্ল্যাট আছে । একটি ফ্ল্যাট রয়েছে "ব্লক 2" এ ফ্ল্যাট নম্বর "2A"এবং অপর ফ্ল্যাটটি রয়েছে "ব্লক 5" এ ফ্ল্যাট নম্বর 8A।
ইডি হানা দেওয়ার আগেই গায়েব করা হয়েছে নামকরা দামি কোম্পানির ৭ থেকে ৮টি গাড়ি। পাশাপাশি, অর্পিতার পরিচারিকাও জানিয়েছেন যে, মাঝে মাঝেই তাঁর টালিগঞ্জ ও করুণাময়ীর ফ্ল্যাটে আসতেন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্য়ায়।