ইডি সূত্রে খবর, অর্পিতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডির আধিকারিকরা জানতে পেরেছেন শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য চলত চেইন। যেটা একেবারে নীচুতলার দালালদের হয়ে টাকা চলে যেত উঁচু তলার নেতাদের কাছে। এই চেইনের মধ্যে নেতা, দালাল, এমনকি সরকারী কর্মচারী সকলের ভাগ ছিল। শুধুমাত্র শিক্ষাক্ষেত্র নয়, আরও একাধিক বিষয়ে পর্দা ফাঁস হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
গতকাল পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে নগদ ২১ কোটি টাকা এবং ২০ টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে ইডি। প্রাক্তন বিচারপতি রঞ্জিত কুমার বাগের নেতৃত্বাধীন কমিটির রিপোর্টে ও সিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে শিক্ষাসচিব মণীশ জৈন জানিয়েছেন, প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশেই সমস্ত নিয়োগ করা হয়েছিল। উনিই নিয়োগের ক্ষেত্রে মূল নিয়ন্ত্রক ছিলেন।
অর্পিতার কাছে এত টাকা এল কোথা থেকে? এই টাকার সঙ্গে কি এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতির যোগ রয়েছে সেই তথ্য জানার চেষ্টা করছে ইডি। সূত্রের খবর মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হবে খুব দ্রুত।