নজরবন্দি ব্যুরোঃ শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতিতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাম জড়াতেই দায় ঝেড়ে ফেলতে চাইছে ত্রিনমুল। তৃণমূলের তরফে বারবার জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে, যে মহিলা, অর্থাৎ মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই। এমনকি মুখ্যমন্ত্রীও তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট করেছেন অর্পিতার সঙ্গে সম্পর্ক নেই তৃণমূলের। কিন্তু একাধিক তথ্য প্রমাণ তুলে ধরে শাসক দলের যুক্তিকে নস্যাৎ করতে চাইছে বিরোধীরা। মঙ্গলবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ট্যুইটে তা স্পষ্ট হয়েছে।


ট্যুইট করে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক। সেই ভিডিওতে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। যেখানে ২০২১ আলের বিধানসভা নির্বাচনে কল্যাণীতে অনিরুদ্ধ বিশ্বাসের সমর্থনে একটি জনসভাতে উপস্থিত রয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সঙ্গে রয়েছেন তাঁর বান্ধবী অর্পিতা মুখ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের কর্মীসভায় স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে অর্পিতাকে। তাতেই প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধী দলনেতা।

তিনি ক্যাপশনে লেখেন, “কথায় আছে, বিপদের সময় নাকি মানুষকে ভালো করে চেনা যায়। কিন্তু দিদিমণি বিপদে পড়ে একজনকে ঠিক চিনতেই পারছেন না। যখন ববির ওখানে যেত আসতো, পার্থদার সঙ্গে তৃণমূলের মঞ্চ আলো করে ভোটের প্রচার করত তখন তো দেখলেই বলতেন “কেমতি আছন্তি”। এখন একটু খোঁজ নিয়ে জিজ্ঞেস করুন: “কেমতি আছন্তি”?”
শুধুমাত্র কল্যাণী নয়, এর আগে মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের প্রচারে দেখা গেছে অর্পিতা মুখ্যোপাধ্যায়কে। এমনকি মধ্যমগ্রামেও তৃণমূল প্রার্থী ও রাজ্যের মন্ত্রী রথীন ঘোষের হয়ে প্রচার করতে দেখা গেছে অর্পিতাকে। এমনকি নাকতলার একটি পুজোতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অর্পিতার সুনাম করছেন, সেই ভিডিও উল্লেখ করেও প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপির নেতারা।



গতকালই রাজ্য সরকারের একটি অনুষ্ঠানে স্কুল সার্ভিস কমিশনের দুর্নীতি নিয়ে মুখ খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আমি মেয়েদের সম্মান করি। কিন্তু যেভাবে প্রচার করা হছে তা অন্যায়। রাজনীতি না করলে জিভ ছিঁড়ে ফেলারও হুঁশিয়ারি তাঁর। নেত্রী’র দাবি, আমি খেটে ইনকাম করি। গান গেয়ে-বই লিখে আয় করে চলি। আমি মিডিয়া ট্রায়াল করব না। পুজো উদ্যোক্তারা যদি কাউকে ডেকে রাখে। আর তাঁকে আমি যদি না চিনি আমি তাতে কী করতে পারি! কে কোথায় ঘুরে বেড়াচ্ছে আমি কীভাবে জানব?
দিদিমণি বিপদে পড়ে একজনকে ঠিক চিনতেই পারছেন না, কটাক্ষ শুভেন্দুর

এরপরেই আরও একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে অর্পিতার সঙ্গে তৃণমূলের যোগের আরও একটি উদাহরণ তুলে ধরলেন বিরোধী দলনেতা। যা ঘিরে ইতিমধ্যেই স্যোশাল মিডিয়ায় তুমুলম সমালোচনা শুরু হয়েছে।
কথায় আছে, বিপদের সময় নাকি মানুষকে ভালো করে চেনা যায়।
কিন্তু দিদিমণি বিপদে পড়ে একজনকে ঠিক চিনতেই পারছেন না।
যখন ববির ওখানে যেত আসতো, পার্থদার সঙ্গে তৃণমূলের মঞ্চ আলো করে ভোটের প্রচার করত তখন তো দেখলেই বলতেন "কেমতি আছন্তি"।
এখন একটু খোঁজ নিয়ে জিজ্ঞেস করুন: "কেমতি আছন্তি"? pic.twitter.com/68bCo2JkFH— Suvendu Adhikari • শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) July 26, 2022







