দিনকয়েক আগে আরাবুল ইসলামের দিকে নিশানা করে বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন আর এক দাপুটে নেতা শওকত মোল্লার।শওকতের অভিযোগ, দল টিকিট দেওয়ার নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা নিতেন আরাবুল তার পাশাপাশি পঞ্চায়েত প্রধান করার জন্যও কারোর কারোর কাছ থেকে টাকা তুলতেন আরাবুল ইসলাম।
আরাবুল ইসলাম আর ভাঙড় এই নাম দু'টো যেন সমার্থক। বর্তমানে জেলবন্দি রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় আরাবুলের নাম দেন 'তাজা নেতা'। এর পর থেকেই সাংবাদিক মহল বা ভাঙড়ের রাজনীতিতে তাঁকে সেই নামেই চেনেন সকলে।
কলকাতা পুলিশের কাছে আরাবুলের আইনজীবী জানতে চান, তাঁর মক্কেলের নামে মোট ক'টি মামলা রয়েছে? এই প্রশ্নের উত্তর না পেয়েই আদালতে পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা করেন ভাঙড়ের তৃণমূল নেতা। অভিযোগ, গ্রেফতার করার পর আরও দুটো মামলায় যুক্ত করা হয় আরাবুলের নাম!
বিধায়ক থাকাকালীন ভাঙর কলেজের গভর্নিং বডির মিটিং চলাকালীন এক অধ্যাপিকাকে জলের জগ ছুঁড়ে মেরে গোটা দেশে রাতারাতি বিখ্যাত হয়ে যান তৃণমূলের এই দুঁদে নেতা।
পঞ্চায়েত নির্বাচনে এক আইএসএফ কর্মীকে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন ভাঙড়ের দাপুটে তৃণমূল নেতা আরাবুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার রাতেই তাঁকে আটক করে কাশীপুর উত্তর থানার পুলিশ।
শুক্রবার সকালে ভাঙড়ের (Bhangar) চালতাবেড়িয়া অঞ্চলের কোচপুকুরে পতাকা লাগানোকে কেন্দ্র করে বচসা শুরু হয় তৃণমূল (TMC) ও আইএসএফ (ISF) কর্মীদের মধ্যে। যেখানে পতাকা লাগাতে যাচ্ছিলেন তৃণমূল কর্মীরা, সেখানে আগে থেকেই আইএসএফের পতাকা ছিল এবং সেই পতাকা ছিঁড়ে ঘাসফুল পতাকা লাগানোর চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। এরপরই মারামারি শুরু হয় দু'পক্ষের মধ্যে।