পঞ্চায়েত নির্বাচনে এক আইএসএফ কর্মীকে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন ভাঙড়ের দাপুটে তৃণমূল নেতা আরাবুল ইসলাম (Arabul Islam)। বৃহস্পতিবার রাতেই তাঁকে আটক করে কাশীপুর উত্তর থানার পুলিশ। তাঁকে নিয়ে আসা হয় লালবাজারে। শুক্রবার আরাবুলকে (Arabul Islam) বারুইপুরের অতিরিক্ত মুখ্য বিচারবিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে তোলে পুলিশ। সেখানে ধোপে টিকল না তৃণমূল (TMC) নেতার সওয়াল। আরাবুল ইসলামকে ১২ দিনের জেল হেফাজত দিল আদালত। অর্থাৎ, ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জেলেই থাকতে হবে ভাঙড়ের ‘তাজা’ নেতাকে।
আরও পড়ুন: বিরোধীদের উস্কানিতেই সন্দেশখালিতে বিক্ষোভ! কী সাফাই দিল তৃণমূল?


এদিন আদালতে আরাবুলের (Arabul Islam) আইনজীবি বলেন, তিনি একজন সমাজসেবী এবং এলাকায় উন্নয়নমূলক কাজের সাথে জড়িত। তাই তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হোক। যদিও আদালত এই যুক্তি মানতে নারাজ। খুনের অভিযোগে অভিযুক্ত আরাবুলকে আপাতত ১২ দিনের জেল হেফাজত দিল আদালত। এদিকে আবার আরাবুলের গ্রেফতারির পরেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ভাঙড়। পতাকা লাগানোকে কেন্দ্র করে তৃণমূল (TMC) ও আইএসএফ (ISF) কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। আর একটি জায়গা থেকে উদ্ধার হয় তাজা বোমা।

২০২৩ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন অর্থাৎ ১৫ জুন, খুন হন আইএসএফ (ISF) কর্মী মহিউদ্দিন মোল্লা। এই ঘটনার আট মাস পর কলকাতা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলেন আরাবুল ইসলাম (Arabul Islam)। সেই সময় মহিউদ্দিন মোল্লা খুনের ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ভাঙড়। সেখানের বর্তমান বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী বারংবার সরব হয়েছেন এই খুনের বিরুদ্ধে। আরাবুল ইসলামের (Arabul Islam) বিরুদ্ধেই সরাসরি অভিযোগ ছিল তাঁর।



আদালতে যুক্তি দিতে পারলেন না, ১৪ দিনের জেল হেফাজতে আরাবুল ইসলাম!
খুনের পাশাপাশি একটি নির্মাণ সংস্থার কাছ থেকে মোটা অঙ্কের তোলাবাজির অভিযোগও ছিল আরাবুল ইসলামের (Arabul Islam) বিরুদ্ধে। কিন্তু, এক্ষেত্রে তাঁকে খুনের অভিযোগেই গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। আরাবুল ইসলাম ভাঙড়ের দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা। যদিও তাঁকে হারিয়ে বিধায়ক হয়েছেন আইএসএফের নওশাদ সিদ্দিকী। এরপর থেকেই দুই দলের কোন্দল উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পায়। পঞ্চায়েত নির্বাচনে ব্যাপক ঝামেলা হয় ভাঙড়ে। আইএসএফের পাশাপাশি তৃণমূলেরও দুই নেতা খুন হন।








