এককালে বীরভূমে অনুব্রতর নামে বাঘে-গরুতে একঘাটে জল খেত! কোনও বিরোধীরাই না গলানোর সুযোগ পেত না। এক কথায় কেষ্টর ওপর দায়িত্ব দিয়েই নিশ্চিন্তে ছিল তৃণমূল! এখন সেই সব অতীত! বর্তমানে গরুপাচার মামলায় গ্রেফতার হয়ে তিহাড়ে রয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। আর এই সময় নাকি কেষ্ট-হীন বীরভূমে চাঙ্গা হয়ে উঠছে বিরোধীরা? এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ!
পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং মানিক ভট্টাচার্যের পর নিয়োগ দুর্নীতিতে অন্যতম বড় পদক্ষেপ তদন্তকারী সংস্থার। ইতিমধ্যেই তাঁকে নিজাম প্যালেসে নিয়ে এসেছে সিবিআই। জীবনকৃষ্ণের আন্দির বাড়ি থেকে যে সমস্ত তথ্য পাওয়া গেছে, সেই সমস্ত তথ্যকে সামনে রেখে সোমবার জীবনকৃষ্ণকে হেফাজতে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। সিবিআই সূত্রে খবর, গরু পাচারের সঙ্গে যোগ ছিল জীবনকৃষ্ণের।
গত ১১ অগাস্ট নিচুপট্টির বাড়ি থেকে গ্রেফতার হন অনুব্রত মণ্ডল। আসানসোল জেল থেকে সম্প্রতি তাঁকে দিল্লির তিহাড় জেলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁকে তিহাড় জেলে হেনস্থা করা হচ্ছে। শুক্রবার নিচুপট্টির বাড়িতে ঢুকেই ভাঙচুর চালালেন কেষ্ট কন্যা সুকন্যা মণ্ডল। তৃণমূলের স্থানীয় কর্মীদের অনেকেই এদিন বাড়ির সামনে ভিড় জমাতে শুরু করেন।
আচমকা শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা দেখা দিয়েছে গরু পাচার অভিযুক্ত অনুব্রত মণ্ডলের। সূত্রের খবর, তিহাড় জেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে তাঁকে। সোমবার সকাল থেকে তাঁর শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। হাসপাতাল সূত্রে খবর, আচমকা বুকে ব্যাথা বাড়ল অনুব্রতর, তবে এখন শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল।
আমার পিছনে দল আছে। আপনারা আমার কিছুই করতে পারবেন না। দিল্লিতে ইডির অফিসারকে এমনটাই জানিয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। খবর ইডি সূত্রে। অর্থাৎ, ইডি হেফাজতে দিল্লিতে থাকলেও অনুব্রত মণ্ডলের কথার দাপট এখনও কমেনি। এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।