নজরবন্দি ব্যুরোঃ নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ৬৫ ঘন্টা তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদের পর তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহাকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং মানিক ভট্টাচার্যের পর নিয়োগ দুর্নীতিতে অন্যতম বড় পদক্ষেপ তদন্তকারী সংস্থার। ইতিমধ্যেই তাঁকে নিজাম প্যালেসে নিয়ে এসেছে সিবিআই। জীবনকৃষ্ণের আন্দির বাড়ি থেকে যে সমস্ত তথ্য পাওয়া গেছে, সেই সমস্ত তথ্যকে সামনে রেখে সোমবার জীবনকৃষ্ণকে হেফাজতে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। সিবিআই সূত্রে খবর, গরু পাচারের সঙ্গে যোগ ছিল জীবনকৃষ্ণের।


সিবিআই সূত্রে খবর, জীবনকৃষ্ণের বাড়ি থেকে প্রায় ৩ হাজার পাতার নথি উদ্ধার হয়েছে। এতে শিক্ষাক্ষেত্রে গ্রুপ সি, গ্রুপ ডি সহ নবম-দশম ও একাদশ-দ্বাদশ এবং প্রাইমারি ও আপার প্রাইমারিতেও নিয়োগের তথ্য মিলেছে। একইসঙ্গে জীবনকৃষ্ণ এবং তাঁর এজেন্ট মারফত যাদের নিয়োগ হয়েছে, তাঁদেরকেও জিজ্ঞাসাবাদ করে তথ্য হাতে পেয়েছে সিবিআই। তবে সিবিআই সূত্রে খবর, নিয়োগ দুর্নীতির পাশাপাশি গরু পাচারেও জীবনকৃষ্ণের যোগ মিলেছে।

সিবিআই সূত্রে খবর, বীরভূমের ইলামবাজার থেকে যে পথে গরু পাচার হত সেখানেও ভূমিকা ছিল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণের। অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা এবং বীরভূমে বিপুল সম্পত্তি দেখে সন্দেহ বাড়ছে সিবিআইয়ের। মনে করা হচ্ছে, গরু পচারের টাকাতেই বীরভূমে বিরাট সম্পত্তির মালিক হয়ে উঠেছিলেন জীবনকৃষ্ণ। তৃণমূল বিধায়কের সঙ্গে আর কোন প্রভাবশালী নেতারা যুক্ত রয়েছে? সেই প্রশ্নের উত্তর পেতেই তৃণমূল বিধায়ককে হেফাজতে নিতে চায় তদন্তকারী সংস্থা।
গরু পাচারের সঙ্গে যোগ ছিল জীবনকৃষ্ণের, খতিয়ে দেখছে সিবিআই

কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নিয়াজম প্যালেস থেকে বের করা হবে। এরপর তাঁকে আলিপুর আদালতে পেশ করবে সিবিআই। সেখানেই ৬৫ ঘন্টা ধরে জীবকৃষ্ণের বিরুদ্ধে তদন্তে অসহযোগিতা এবং নিয়োগ দুর্নীতিতে পাওয়া তথ্যকে সামনে রেখে হেফাজতে নেবে সিবিআই।









