আপাতত তিহাড় মুক্তি পাচ্ছেন না বীরভূমের দাপুটে নেতা অনুব্রত মণ্ডল! শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে আবেদন জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ কোর্টে জামিনের মামলার সেই শুনানি খারিজ করে দেয়। অর্থাৎ দিল্লির আদালত জামিন দিল না বীরভূমের তৃণমূল সভাপতিকে। যদিও এখনও পর্যন্ত এই মামলায় পরবর্তী শুনানি কবে হবে তা জানা যায়নি। কিন্তু এই মামলায়, তিহাড় জেলের কাছ থেকে অনুব্রতর মেডিক্যাল রিপোর্ট বারবার চাওয়া হলেও, জেল থেকে তা দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেছেন অনুব্রতর আইনজীবী।
বিএসএফের একাংশ গরু পাচারের সঙ্গে যুক্ত বলে ইডির চার্জশিটেই উল্লেখ রয়েছে বলে মত মন্ত্রীর। উদয়ন গুহর যুক্তি, ‘শিক্ষা দফতরের দুর্নীতির জন্য যদি শিক্ষামন্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়, তাহলে গতকালই ইডি চার্জশিটে বলেছে গরু পাচারে বিএসএফ জড়িত। সেক্ষেত্রে সেই মন্ত্রকের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী কেন গ্রেফতার হবে না।’
নজরে রয়েছে অনুব্রত মণ্ডল ও তাঁর কন্যা সুকন্যা মণ্ডলের বিপুল অঙ্কের সম্পত্তি। সেবিষয়ে দুই পক্ষকে জিজ্ঞাসাবাদ করে গ্রেফতারির পর গতকাল দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে দেওয়া চার্জশিটে বিস্ফোরক দাবি করেছে ইডি। ২০০ পাতার চার্জশিটে ইডি দাবি করেছে, মেয়ের সঙ্গে তাঁর বয়ান মিলছে না। এবার ফেঁসে যাচ্ছেন অনুব্রত!
গরু পাচার মামলায় গত বছরেই গ্রেফতার হয়েছিলেন বীরভূম তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। এখন তাঁর ঠিকানা তিহাড় জেল। ওই একই মামলায় অনুব্রত সুকন্যা মণ্ডলকে বুধবার গ্রেফতার করে ইডি। সেই মামলায় বাবার মতো তিহাড় জেলেই ঠিকানা সুকন্যার। ১২ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত। ১২ মে ফের আদালতে পেশ করা হবে তাঁকে।
বৃহস্পতিবার দিল্লির রাউস অ্যাভেনিউ আদালতে তোলা হয় অনুব্রত-কন্যাকে। আর আদালতে সুকন্যারকে হেফাজতে চায় ইডি। এমনটাই আবেদন জানালেন দিল্লি আদালতে তিন দিনের হেফাজতের আবেদন মঞ্জুর করে। পাশাপাশি আদালত সুকন্যাকে তাঁর আইনজীবীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার অনুমতিও দেন।
আমার শরীর ভালো নেই! আমাকে আসানসোলে ফিরিয়ে দিন। সিবিআই আমার নামে মিথ্যে মামলা করছে। ফলস কেসে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে সিবিআই।" গরুপাচারকাণ্ডে সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন অনুব্রত মণ্ডল। পাশাপাশি নিজের শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়ে আদালতের কাছে কাতর আর্জি জানালেন কেষ্ট!