নজরবন্দি ব্যুরোঃ গরু পাচার মামলায় গত বছরেই গ্রেফতার হয়েছিলেন বীরভূম তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। এখন তাঁর ঠিকানা তিহাড় জেল। ওই একই মামলায় অনুব্রত সুকন্যা মণ্ডলকে বুধবার গ্রেফতার করে ইডি। সেই মামলায় বাবার মতো তিহাড় জেলেই ঠিকানা সুকন্যার। ১২ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত। ১২ মে ফের আদালতে পেশ করা হবে তাঁকে।


এদিন দুপুর দুটো নাগাদ রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে অনুব্রত কন্যাকে পেশ করার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের আগেই ভার্চুয়ালি তাঁকে আদালতে পেশ করা হয়। ইডির তরফে জানানো হয়েছে অনুব্রত কন্যাকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন নেই। তাঁকে জেল হেফাজতে পাঠানো যেতেই পারে। সেই অনুযায়ী বিচারক তাঁকে ১২ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।

গরু পাচার মামলায় গত বুধবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করে ইডি। দীর্ঘ সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। অভিযোগ, এক প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষিকা হয়ে বিপুল সম্পত্তির মালিক হয়েছেন সুকন্যা। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের সময় একাধিক অসঙ্গতি মিলেছিল। তাই তাঁকে গ্রেফতার করল তদন্তকারী সংস্থা। তদন্তে দেড়শো-দু’শো ব্যাঙ্কে নগদ জমার রসিদ মেলে। টাকার অঙ্ক ছিল ১০ কোটির বেশি। যা নগদে জমা পড়েছে।
বাবার মতো তিহাড় জেলেই ঠিকানা সুকন্যার, ১২ দিনের জেল হেফাজতের নির্দশ

ইডি সূত্রে খবর, দুটি কোম্পানির ডিরেক্টর পদে রয়েছেন অনুব্রত মণ্ডলের মেয়ে সুকন্যা মণ্ডল। একটি সংস্থা, নীর ডেভলপার এবং অন্য একটি সংস্থা এএনএম অ্যাগ্রোকেম। এই এএনএম অ্যাগ্রোকেমের অধীনে রয়েছে ভোলে ব্যোম রাইস মিল। এর পাশাপাশি বোলপুরের মকরমপুরে দুটি প্লট রয়েছে সুকন্যার নামে। বল্লভপুরেও রয়েছে চারটি প্লট। কালিকাপুর ও গয়েশপুর মিলিয়ে সুকন্যার নামে ২৮টি জমির নথির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। নিউটাউনেও দুটি ফ্ল্যাট রয়েছে সুকন্যার নামে। এই সমস্ত সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে মেলেনি স্পষ্ট উত্তর। তাই তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি।










