আরজি কর ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগ চেয়েছে বিজেপি ও সিপিআইএম। রাজ্য কংগ্রেসের দাবিও এক। প্রায় প্রতিদিনই রাজ্যের নানান প্রান্তে বিশেষ করে কলকাতায় মিছিল করছেন সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা থেকে শুরু করে নাগরিক সমাজ। টানা সাতদিন ধরে আরজি কর হাসপাতালে অবস্থান বিক্ষোভে বসে আছেন আন্দোলনকারী চিকিৎসকেরা।
মমতা ও অখিলেশ বিজেপির বিজয় রথ সদ্য সমাপ্ত লোকসভায় অনেকটা রুখে দিয়েছেন, এ কথা রাজনৈতিক মহলে অনেকেই অকপটে স্বীকার করে থাকেন। বাংলা ও উত্তরপ্রদেশে বিজেপির ফলাফল একেবারেই আশানুরূপ হয়নি। আজ বক্তব্য রাখার সময় তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও দু'জনের নাম নেন।
লোকসভা ভোটের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, "দিল্লিতে অতিথি সরকার চলছে। এই সরকার খুব তাড়াতাড়ি পড়ে যাবে। বাংলা ও উত্তর প্রদেশ বিজেপিকে হারিয়েছে। আমরা সকলে মিলে দেশকে বাঁচানোর জন্য, সংবিধানকে বাঁচানোর জন্য একজোট হয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে।"
অখিলেশ যাদবের একুশে জুলাই মঞ্চে যোগদানের কথা আগেই ঘোষণা করেছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই মতোই কলকাতা বিমানবন্দরে এসে পৌঁছেছেন সমাজবাদী পার্টির সুপ্রিমো। এবারের একুশের সমাবেশকে কেন্দ্র করে বাড়তি উন্মাদনা শাসক দলের। কারণ, সদ্য সমাপ্ত লোকসভা ও বিধানসভা উপনির্বাচনে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে তৃণমূল। আজকের দিনটিকে বিজয় দিবস হিসাবেও পালন করবে জোড়াফুল শিবির।
গতবারের তুলনায় বাড়তি ভিড় হবে বলে মনে করছেন তৃণমূল কংগ্রেসের একাংশ। বিশেষ করে উত্তর বঙ্গের একাধিক জেলা থেকে থেকে বহু কর্মী সমর্থক এই সমাবেশে যোগ দেবেন বলে জানা যাচ্ছে। ট্রেনে বসে করে ইতিমধ্যেই শহরে আসতে শুরু করেছে কর্মী সমর্থকরা।
সূত্রের খবর, এই বৈঠকের পরই সন্ধেয় মুকেশ পুত্র অনন্ত আম্বানি ও রাধিকার বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মধ্যেই বিয়ের অনুষ্ঠানকে ঘিরে সেজে উঠেছে মুম্বই শহর। অতিথিদের তালিকা রয়েছে বেশ দীর্ঘ। দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও উপস্থিত হবেন এই বিয়ের আসরে।
এই পোস্টার 'ইন্ডিয়া' জোটের অন্দরে কিছুটা কি বিড়ম্বনা তৈরি করবে? অখিলেশের অনুমতি ছাড়াই কি এই পোস্টার ছাপিয়েছে সমাজবাদী পার্টি? নাকি তিনি নিজেই অন্য কিছুর ইঙ্গিত দিতে চাইছেন? প্রশ্ন একাধিক!