তৃণমূলের একুশের মঞ্চে হাজির সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব। কলকাতায় নেমেই প্রথমে তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে যান। এরপর চলে আসেন ধর্মতলায়। একুশের সমাবেশে এসে আপ্লুত অখিলেশ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানিয়ে এদিন বক্তব্য শুরু করেন তিনি। তিনি বলেন, “আমাকে এখানে ডাকার জন্য অনেক কৃতজ্ঞ।” এরপরেই শহীদদের স্মরণ করে তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, “লড়াই এর ময়দানে যে জীবন দান করে, তারাই ইতিহাসের পাতায় শহীদ হয়ে রয়ে যায়। এটা সব দলের জন্য সৌভাগ্য নয় যারা দলে এইরূপ জীবন দিয়ে দেওয়ার মতো কর্মীরা থাকে।এটা তৃণমূলের সৌভাগ্য। কর্মীরাই একটা দলকে মজবুত করে। আমি যে এখানে দাঁড়িয়ে আছি, সেটাই প্রমাণ করিয়ে দেয় দিদির দলের এক একটা কর্মীদের গুরুত্ব কতটা।”
গত বিধানসভার লড়াই সম্পর্কে অখিলেশ বলেন, “কিভাবে সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পায়ে প্লাস্টার নিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন। শায়েরী করে তিনি বলেন ‘এক আকেলি লড় জয়েগি, জিত কি অর বার জায়েগি’, চটের পরেও একা লড়ে জিতেছেন দিদি। দিদি বিরুদ্ধে নান ষড়যন্ত্র তৈরি করা হয়ে ছিল। কর্মীরাই সেই ষড়যন্ত্র আটকে দিয়েছে।”

এরপর লোকসভা ভোটের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “দিল্লিতে অতিথি সরকার চলছে। এই সরকার খুব তাড়াতাড়ি পড়ে যাবে। বাংলা ও উত্তর প্রদেশ বিজেপিকে হারিয়েছে। আমরা সকলে মিলে দেশকে বাঁচানোর জন্য, সংবিধানকে বাঁচানোর জন্য একজোট হয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে।”
দিদির লড়াইকে কুর্নিশ, কর্মীরাই দলের কারিগর, একুশের সমাবেশে এসে আপ্লুত অখিলেশ

আবার মমতার প্রশংসা করে তিনি বলেন, “আপনাদের নেত্রী অত্যন্ত লড়াকু নেত্রী। তাই আপনারা দিদিকে অবশ্যই সাহায্য করবেন। দিদি অনেক ভাগ্যবান যে আপনাদের মত লড়াকু কর্মীদের পাশে পেয়েছেন।” এরপরই তিনি আরও একবার কর্মী সমর্থকদের ও দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তার বক্তৃতা শেষ করেন।



