বিজেপির আশা এবং সমস্ত 'হেভিওয়েট' সংবাদমাধ্যমের প্রত্যাশা ছিল উত্তর প্রদেশে বিজেপি কমপক্ষে ৭০-৭২ টি আসন পাবে লোকসভায়। কিন্তু বাস্তবে ফল হয়েছে সম্পূর্ণ বিপরীত। যোগীরাজ্যে ৮০ টি আসনের মধ্যে বিজেপি পেয়েছে মাত্র ৩৩ টি আসন।
২০২১ সালের ২৫ অক্টোবর রাজেশপতি ত্রিপাঠী এবং তাঁর ছেলে ললিতেশ ত্রিপাঠী শিলিগুড়িতে এসে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন। উত্তরপ্রদেশের রাজনীতিতে ত্রিপাঠী পরিবারের গুরুত্ব অজানা নয়। সেই পরিচিতিকে কাজে লাগাতে চায় মমতার দল।
বাংলা ও বিহারে যেখানে মুখ থুবড়ে পড়েছে 'ইন্ডিয়া' জোটের ভবিষ্যৎ সেখানে কিন্তু যোগী রাজ্যে কিছুটা হলেও ঐক্যতা বজায় রাখতে পারল বিজেপি বিরোধী এই মহাজোট। তবে, আসন সমঝোতার বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। রাজনৈতিক মহল জল্পনা, খুব শীঘ্রই বৈঠকে বসবেন রাহুল গান্ধী ও অখিলেশ যাদব।
কংগ্রেসের এমন সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ অখিলেশ যাদব। তাঁর কথায়, কংগ্রেস যদি মধ্যপ্রদেশ বিধানসভায় আসন ছাড়তে রাজি না হয়, তাহলে উত্তরপ্রদেশে বিধানসভায় কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করবে না তাঁর দল।
বুধবার বিকেলে অরবিন্দ কেজরিওয়াল লখনউতে অখিলেশ যাদবের সঙ্গে দেখা করবেন। রাজ্যসভার আপ সাংসদ সঞ্জয় সিং কেজরিওয়ালের সঙ্গে এই আলোচনায় যোগ দিতে পারেন। আগামী লোকসভা নির্বাচনের আগে বিরোধী জোট নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে কথা হতে পারে বলেও জানা গিয়েছে। গত মাসে কলকাতা সফরে এসেছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। নবান্নে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করেছিলেন তিনি। আপ সুপ্রিমোকে পাশে নিয়েই সাংবাদিক সম্মেলনে কেন্দ্রকে তোপ দাগতে দেখা যায় তৃণমূল সুপ্রিমোকে।