নজরবন্দি ব্যুরো: লোকসভা ভোটে বিজেপিকে দিল্লির মসনদ থেকে সরাতে বিরোধীরা একত্র হয়ে ইন্ডিয়া জোট গঠন করেছে। আর মাত্র কয়েকমাস পরই লোকসভার নির্বাচন। তবে তার আগে রয়েছে পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা ভোট, যাকে ‘সেমিফাইনাল’ বললেও ভুল হবে না। এদিকে এই ভোটে আসন সমঝোতা করতে গিয়েই ‘ঠাণ্ডা লড়াই’ দেখা গেল সমাজবাদী পার্টি ও কংগ্রেসের মধ্যে। ভোটমুখী রাজ্যে সপাকে আসন ছাড়তে নারাজ কংগ্রেস।


যে পাঁচটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে তার একটি মধ্যপ্রদেশ। এই রাজ্যের বুন্দেলখণ্ড এবং চম্বল-গোয়ালিয়র অঞ্চলে অখিলেশ যাদবের দল সমাজবাদী পার্টির কিছুটা প্রভাব রয়েছে। ওই অঞ্চলের চারটি আসনে সপা আগেই প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে। আরও দুটি আসন সমাজবাদী পার্টি কংগ্রেসের কাছে দাবি জানিয়েছিল। সব মিলিয়ে মোট ছয়টি আসন চেয়েছিল তারা। জানা যায়, সপা প্রধান অখিলেশ যাদব মধ্যপ্রদেশের ভারপ্রাপ্ত নেতা রণদীপ সিংহ সুরজেওয়ালার কিংবা কমল নাথ বা রাহুল গান্ধীর সঙ্গেও কথা বলতেও চেয়েছিলেন।

রাজনৈতিক সূত্রে খবর, কমল নাথ নাকি আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন, মধ্যপ্রদেশে বিজেপিকে হারাতে কোনও ‘ছোট দলের সমর্থনের প্রয়োজন নেই’। তিনি আরও জানিয়েছেন, কংগ্রেস একাই রাজ্যের ২৩০ টি বিধানসভা আসনে লড়বে। বিজেপিকে হারাতে কোনও ছোট দলের সমর্থন প্রয়োজন হবে না। এমনকি মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রীর মুখ মনে করছেন সমাজবাদী পার্টিকে আসন ছাড়লে দলের নেতারা ক্ষুব্ধ হতে পারেন।



এদিকে কংগ্রেসের এমন সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ অখিলেশ যাদব। তাঁর কথায়, কংগ্রেস যদি মধ্যপ্রদেশ বিধানসভায় আসন ছাড়তে রাজি না হয়, তাহলে উত্তরপ্রদেশে বিধানসভায় কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করবে না তাঁর দল। পাশাপাশি, উত্তরপ্রদেশে সমাজবাদী পার্টি একাই ৮০ আসনে লড়ার জন্য প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে সপা ও কংগ্রেসের মতপার্থক্যের জেরে ইন্ডিয়া জোটে কোনও প্রভাব পড়বে কিনা সেদিকেও নজর রাখছে রাজনৈতিক মহল। উল্লেখ্য, আগামী ১৭ নভেম্বর এক দফায় মধ্যপ্রদেশে ভোট অনুষ্ঠিত হবে।
ইন্ডিয়া জোটে প্রথম ধাক্কা! ভোটমুখী রাজ্যে সপাকে আসন ছাড়তে নারাজ Congress









