নতুন সংসদ ভবন উদ্বোধনের দিনই নতুন 'বিতর্ক' উস্কে দিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী। তাঁর দাবি, নতুন ভবনে সংসদের যে সংবিধানের কপি দেওয়া হয়েছে সেখানে নাকি 'ধর্মনিরপেক্ষ' ও 'সমাজতান্ত্রিক' শব্দদ্বয় বাদ দেওয়া হয়েছে। আর এই বিষয়টি নিয়ে মঙ্গলবার সংসদ ভবনের বাইরে প্রতিবাদ জানায় কংগ্রেস। প্রতিবাদে অধীরের সঙ্গে সামিল হন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীও।
'ইন্ডিয়া' জোটের প্রথম সমন্বয় বৈঠকে হাজির থাকতে পারলেন না তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কারণ, তাঁকে তলব করেছিল ইডি। অভিষেক না থাকায় তাঁর চেয়ার খালি রাখার সিদ্ধান্ত নেয় বৈঠকে উপস্থিত বাকী রাজনৈতিক দলগুলি। এদিকে কিন্তু প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি এবং রাজ্য সিপিআইএমের সম্পাদক মহম্মদ সেলিম কিন্তু অভিষেককে তলব প্রসঙ্গে ভিন্ন মত প্রদর্শন করলেন। তাহলে কি তাল কাটছে জোটের?
সেই অনাস্থা প্রস্তাবেরই জবাবি ভাষণ লোকসভায় দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কংগ্রেস নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ, লোকসভায় প্রধানমন্ত্রী মোদীর বক্তব্য চলাকালীন অসংসদীয় আচরণ করেছিলেন তিনি।
বারোয়ারি পুজোর অনুদান ৬০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৭০ হাজার টাকা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবারই নেতাজী ইন্ডোরে পুজোকমিটিগুলির সঙ্গে বৈঠকে এই আর্থিক অনুদানের বিষয়টি ঘোষণা করেন তিনি। এবার এই অনুদান বাড়ানো নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সমালোচনায় সরব হলেন বিজেপি এবং কংগ্রেস নেতারা।
লোকসভা নির্বাচন প্রসঙ্গে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা নবগঠিত ‘ইন্ডিয়া’ জোটের অন্যতম মুখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, বাংলার সব ভোট যেন তৃণমূলে আসে! জোট গঠনের পর প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীও বলেন, এখন পুকুর নয়, নদীর কথা ভাবতে হচ্ছে! নদী অর্থাৎ দেশ, পুকুর অর্থ রাজ্য। তাহলে, এখন প্রশ্ন, লোকসভায় ‘ইন্ডিয়া’ জোটের স্বার্থে রাজ্যে কি লড়বে না কংগ্রেস?
হাত শিবিরে নাম লেখালেন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের জামাই ইয়াসির হায়দার। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর উপস্থিতিতেই কংগ্রেসে যোগ দিলেন প্রাক্তন যুব তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক। ইয়াসিরের অভিযোগ, তাঁকে গুরুত্ব দেয়নি তৃণমূল।