নজরবন্দি ব্যুরো: জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন উপলক্ষে দিল্লিতে নৈশভোজের আয়োজন করেছিলেন দেশের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। আমন্ত্রিত ছিলেন বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। শনিবার সেই নৈশভোজে যোগ দিয়েছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিকে তাঁর দিল্লি সফর নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। কেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির নৈশভোজে গেলেন এনিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী।
আরও পড়ুন: সমুদ্রসৈকতে অর্ধনগ্ন তরুণীর দেহ! মন্দারমণিতে রহস্যমৃত্যুর তদন্তে পুলিশ


সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বহরমপুর কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরী বলেন, “যদি উনি জি-২০র নৈশভোজে যোগ না দিতেন, তবে কিছু হত না। মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ত না। মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে যেত না। কোরান অপবিত্র হয়ে যেত না। অবিজেপি অনেক মুখ্য়মন্ত্রীই তো যাননি। বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়্গেকে আমন্ত্রণই জানানো হয়নি। ওখানে কী এমন আকর্ষণীয় বিষয় ছিল যে মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় তড়িঘড়ি দিল্লি ছুটলেন?” এমনকি এই নৈশভোজে যোগ দেওয়ার পিছনে অন্য কোনও কারণ আছে কিনা তা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন অধীর।

নৈশভোজে আমন্ত্রণ থাকলেও অবিজেপি রাজ্য বিশেষ করে কংগ্রেস শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা যাননি। পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ঝাড়খণ্ড সহ একাধিক বিরোধী শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা যোগ দেন নৈশভোজে। সেখানে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী তথা জেএমএম প্রধান হেমন্ত সোরেনের সঙ্গে একই ফ্রেমে ছবি দেখা যায় মমতার। এদিকে জানা যায়, খাওয়ার সময় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একই টেবিলে বসেছিলেন। এই পরিস্থিতিতে এবার মমতাকে নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি।



অধীর চৌধুরীর আক্রমণের জবাবে বাংলার শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস পাল্টা জবাব দিতে ছাড়েনি। তারা মনে করিয়ে দেন, মমতার উদ্যোগেই বিরোধীদের ইন্ডিয়া জোট গঠিত হয়েছে। তৃণমূল সাংসদ শান্তনু সেন এই নিয়ে বলেন, ‘প্রটোকল মেনে মুখ্যমন্ত্রী কখন কোন নৈশভোজে অংশ নেবেন, তা নিশ্চয় অধীর চৌধুরী ঠিক করে দেবেন না।’
নৈশভোজে শাহ-যোগীর পাশে মমতা, তীব্র কটাক্ষ অধীরের, পাল্টা তৃণমূল








