নজরবন্দি ব্যুরো: লোকসভা নির্বাচন প্রসঙ্গে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা নবগঠিত ‘ইন্ডিয়া’ জোটের অন্যতম মুখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, বাংলার সব ভোট যেন তৃণমূলে আসে! জোট গঠনের পর প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীও বলেন, এখন পুকুর নয়, নদীর কথা ভাবতে হচ্ছে! নদী অর্থাৎ দেশ, পুকুর অর্থ রাজ্য। তাহলে, এখন প্রশ্ন, লোকসভায় ‘ইন্ডিয়া’ জোটের স্বার্থে রাজ্যে কি লড়বে না কংগ্রেস?
আরও পড়ুন: কংগ্রেসে যোগ দিলেন ফিরহাদের জামাই, কী বলছেন মেয়র?


শনিবার কলকাতায় বিধান ভবনে কংগ্রেসের জেলা সভাপতিদের নিয়ে বৈঠক করেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী। এরপর তিনি বলেন, “কংগ্রেস নিজেদের মতো লড়াই করছে। আমাদের অবস্থান যদি বদল হয়, তাহলে তা সবাই দেখতে পাবেন। এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেস চালান। তিনি নিজের দলের জন্য ৪২টি আসন চাইতে পারেন আবার ৪২০টাও চাইতে পারেন। তবে কংগ্রেস কোনও রাজ্যে আসন ছেড়ে দিয়ে লড়াই করবে বলে জানি না আমি।“

একুশের বিধানসভা থেকেই কংগ্রেস ও সিপিআইএম হাত ধরাধরি করে চলছে। ‘ইন্ডিয়া’ জোট হোক বা না হোক, কংগ্রেস ও সিপিআইএম যে একসাথে লড়বে তা কার্যত নিশ্চিত। কিন্তু, যে আশঙ্কাটা আগেই ছিল যে, বাংলায় যেহেতু কং-বাম তৃণমূলের বিপরীতে অবস্থান করে, সেক্ষেত্রে তাঁরা বৃহত্তর জোটের স্বার্থেও কি তৃণমূলের সঙ্গে হাত মেলাবে?



নীচু স্তরের কর্মীদের পক্ষে এই জোট কিছুটা বিড়ম্বনার। সারাবছর লাগাতার রাজ্যে বিরোধী অবস্থানে থেকে হঠাৎ করে তৃণমূলের সঙ্গে জোট করা নিয়ে তাঁদের আপত্তি থাকা স্বাভাবিক। তাছাড়া, সব ভোট তৃণমূলকে পাইয়ে দিলে রাজ্য যে বিরোধীশূন্য হয়ে পড়বে তা বলাই বাহুল্য। তাই এই মহাজোট, তত্ত্ব হিসেবে, অঙ্ক হিসেবে যতপি প্রাসঙ্কিক হয়ে উঠুক না কেন, বাস্তবায়নে বেশ সমস্যা থেকেই যাচ্ছে।
মমতার কথায় লোকসভায় বৃহত্তর জোটের স্বার্থে রাজ্যে লড়বে না কংগ্রেস








