নজরবন্দি ব্যুরো: সংসদের বাদল অধিবেশনের শুরু থেকেই মণিপুর হিংসা নিয়ে সরব হয়েছে বিরোধীরা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিবৃতি দাবি করেছে তাঁরা। সংসদে আনা হয়েছে অনাস্থা...
উল্লেখ্য, এদিন রাজ্যসভার সাংসদ তৃণমূল নেত্রী সুস্মিতা দেব রাষ্ট্রপতির কাছে আরজি জানিয়েছেন, মণিপুরের দুই ভিন্ন সম্প্রদায়ের দু’জন সাহসী মহিলাকে (রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত) রাজ্যসভায় পাঠানো হোক। মণিপুরের মহিলাদের উপর সংঘটিত গুরুতর ক্ষতি সংশোধন করার জন্য একটি ছোট ব্যবস্থা হিসেবে এই পদক্ষেপের কথা বলেন তিনি।
মণিপুরের রাজ্যপাল অনুসূয়া উইকের সঙ্গে দেখা করলেন ‘ইন্ডিয়া’ জোটের প্রতিনিধিদল। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর নেতৃত্বে মোট ২১ জন সাংসদ রবিবার সকালে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে স্মারকলিপি তুলে দিলেন।
পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আরও একটি জটিলতা কাটল। এক দফাতেই ভোট হবে, বুধবার এক মামলার শুনানিতে এই নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর আবেদন খারিজ হয়ে গেল প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে। পর্যাপ্ত বাহিনী রাজ্যে রয়েছে, ফলে দফা বাড়িয়ে ভোট করানোর প্রয়োজন নেই, এমনই পর্যবেক্ষণ আদালতের।
শনিবার বহরমপুর জাতীয় কংগ্রেসের পার্টি অফিসে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে জাতীয় কংগ্রেসে যোগদান করেন পাঁচশোর বেশি কর্মী। গতকাল সাগরদিঘির একটি জনসভায় উপস্থিত ছিলেন বহরমপুর সাংসদ অধীর চৌধুরী। তৃণমূল কর্মীদের কংগ্রেসে যোগদান নিয়ে তিনি বলেন, "কাল আমাদের একজন কর্মীকে খুন হতে হয়েছে। তারপরই তৃণমূল কংগ্রেসের বহু কর্মী-সমর্থক বহরমপুর জাতীয় কংগ্রেসের পার্টি অফিসে এসে কংগ্রেসের পতাকা হাতে তুলে নেন।"
এবার এপ্রসঙ্গে সরাসরি রাজ্যপালের কাছে আর্জি জানিয়ে চিঠি পাঠালেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী। চিঠিতে লেখন, "বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে জঙ্গলের রাজ চলছে। জঙ্গলের দানবের মতো শাসক দলের আশ্রিতরা বিরোধী দলের কর্মীদের উপর আক্রমণ করছে। "