প্রদেশ সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী বলছেন, ‘‘এর আগে সারদা ও নারদ-কাণ্ডে সিঙ্ঘভি আদালতে তৃণমূলের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন। সেই সময়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি হিসেবে বলেছিলাম, এ রাজ্যে কোনও কর্মসূচিতে তাঁকে দেখতে চাই না। সেই কথা আবার এখন বলছি। তাঁকে আমরা বয়কট করেছি, করব!’’
নেত্রীর নির্দেশে সেই কাজেই নেমে পড়েছেন জেলা তৃণমূলের নেতারা। বিধায়ক পদে শপথ নেওয়ার আগেই বাইরনের বিরুদ্ধে ভুয়ো মামলা করা শুরু করে দিয়েছেন তাঁরা। তবে এভাবে বাইরন বা কংগ্রেসকে ভাঙা যাবে না।
শুক্রবার দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকের পর রবিবার জেলা নেতৃত্বদের নিয়ে বৈঠক করছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে সাগরদিঘির নির্বাচনে হারের কারণ ব্যাখা করতে গিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করে বসেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তিনি বলে, অধীর রঞ্জন চৌধুরী আরএসএসের হয়ে কাজ করছেন। এছাড়াও তাঁকে বলতে শোনা গেল সাগরদিঘির নির্বাচনে প্রচুর টাকা বিলানো হয়েছে।
মূল্যবৃদ্ধি থেকে আদানি ইস্যু, সম্প্রতি যোগ হয়েছে রাহুল গান্ধীর বক্তব্যও। সব মিলিয়ে শাসক ও বিরোধী শিবিরের তরজায় উত্তাল সংসদ। এরই মাঝে স্পিকার ওম বিড়লার কাছে বিস্ফোরক অভিযোগ জানালেন লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী। তাঁর অভিযোগ, গত ৩ দিন ধরে তাঁর নির্ধারিত আসনের মাইক বন্ধ করা হয়েছে।
আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি সাগরদিঘির বিধানসভার নির্বাচন। যতই নির্বাচন এগিয়ে আসছে ততই একে অপরের বিরুদ্ধে তোপ দাগছেন সমস্ত রাজনৈতিক দলের নেতারা। কেউ কারোর জন্য এক ইঞ্চি জমি ছাড়লেন না। ঠিক একইভাবে রবিবার সাগরদিঘিতে প্রচারে গিয়ে অধীর রঞ্জন চৌধুরীর বিরুদ্ধে তোপ দাগেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, অধীর চৌধুরীরা বিজেপির এজেন্ট।
বিরোধী শিবিরে ক্রমাগত জোরালো হচ্ছে বাম এবং কংগ্রেস জোটের প্রসঙ্গ। বিধানসভা নির্বাচনের মতো পঞ্চায়েত নির্বাচনেও কী জোট করবে বাম এবং কংগ্রেস? বাকি এককভাবে লড়বে দুই পক্ষ। স্পষ্ট করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী।
কংগ্রেস সাংসদের দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের 'আশীর্বাদধন্য' না হলে অনুব্রত মণ্ডলের পক্ষে গরু পাচারে মদত দেওয়া সম্ভব হত না। সেই কারনে কেন্দ্রীয় সংস্থার আরও অ্যাকটিভ ভাবে তদন্ত করা জরুরি। প্রসঙ্গত গরু পাচার মামলায় ইতিমধ্যেই অনুব্রত মন্ডল কে গ্রেফতার করেছে সিবিআই।