নজরবন্দি ব্যুরোঃ আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি সাগরদিঘির বিধানসভার নির্বাচন। যতই নির্বাচন এগিয়ে আসছে ততই একে অপরের বিরুদ্ধে তোপ দাগছেন সমস্ত রাজনৈতিক দলের নেতারা। কেউ কারোর জন্য এক ইঞ্চি জমি ছাড়লেন না। ঠিক একইভাবে রবিবার সাগরদিঘিতে প্রচারে গিয়ে অধীর রঞ্জন চৌধুরীর বিরুদ্ধে তোপ দাগেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, অধীর চৌধুরীরা বিজেপির এজেন্ট।


একইসঙ্গে অধীর রঞ্জন চৌধুরীর বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেন, আপনি দেখুন অধীর রঞ্জন চৌধুরী কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে ঘুরছে। যা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনে। যার মন্ত্রী অমিত শাহ। যে অমিত শাহ এনআরসি নিয়ে এসেছে, সেই অমিত শাহের পুলিশ অধীর রঞ্জন চৌধুরীকে নিরাপত্তা দিচ্ছে। অধীর রঞ্জন চৌধুরীর দিদির পুলিশের ওপর ভরসা নেই। দাদার পুলিশের ওপর ভরসা রয়েছে। এর চেয়ে বড় মিরজাফর মুর্শিদাবাদে জন্মায়নি। আগামী দিনেও জন্মাবে না। তাঁদের মুখে বড় বড় ভাষণ। কতদিন নেমেছিলেন এনআরসি নিয়ে?

আমার বিরুদ্ধে ২০ টি নোটিশ পাঠিয়েছে ইডি। অধীর চৌধুরী, সুজন চক্রবর্তী এবং শুভেন্দু অধিকারীদের বিরুদ্ধে লিখিত বয়ান দিয়েছে সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেন। কাউকে ইডি একদিন ডাকেনি। কারণ, বিজেপির এজেন্ট হিসেবে এরা কাজ করছে। একটা কংগ্রেসকে ভোট দেওয়ার অর্থ সরাসরি বিজেপিকে ভোট দেওয়া। আর এনআরসি বাস্তবায়িত করতে এদের হাত শক্তিশালী করা। এনআরসি আটকাতে হলে তৃণমূলকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানা তিনি।
অধীর চৌধুরীরা বিজেপির এজেন্ট, কড়া আক্রমণ অভিষেকের

সংখ্যালঘু ভোট ভাগ হয়ে যাওয়ার ভয় রয়েছে তৃণমূল। এখন দলের নেতাদের বিভ্রান্ত করছেন। কিন্তু বিজেপি সঙ্গে কোনও যোগ নেই। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে এমনটাই জানালেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ। একইসঙ্গে কংগ্রেস প্রার্থীর সঙ্গে সৌজন্যতা থাকতেই পারে। এরকম অনেকের সঙ্গে অনেকের যোগ থাকতেই পারে।









