নজরবন্দি ব্যুরোঃ মূল্যবৃদ্ধি থেকে আদানি ইস্যু, সম্প্রতি যোগ হয়েছে রাহুল গান্ধীর বক্তব্যও। সব মিলিয়ে শাসক ও বিরোধী শিবিরের তরজায় উত্তাল সংসদ। এরই মাঝে স্পিকার ওম বিড়লার কাছে বিস্ফোরক অভিযোগ জানালেন লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী। তাঁর অভিযোগ, গত ৩ দিন ধরে তাঁর নির্ধারিত আসনের মাইক বন্ধ করা হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ DEV: পর্যটনে ‘ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর’ দেব, মমতার সিদ্ধান্তে কী বললেন নায়ক


চিঠিতে কংগ্রেস সাংসদ স্পিকারকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন, ১৩ মার্চ বিরতির পরে অধিবেশন শুরুর পর থেকেই সরকারি মদতপুষ্ট ব্যাঘাতের মুখোমুখি হয়েছি আমি। একইসঙ্গে ঘটনায় গভীর যন্ত্রণার কথা ব্যক্ত করেছেন কংগ্রেস সাংসদ। আমার মনে হচ্ছে, ক্ষমতায় থাকা দলের পক্ষ থেকে বিরোধী দলের একজন স্বতন্ত্র সদস্যের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার সুনিপুণ ষড়যন্ত্র চলছে। আমার দেখে অবাক লাগছে সংসদের অন্দরে মন্ত্রীদের বলার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু বিরোধী দলের নেতাদের বলতে দেওয়া হচ্ছে না।

শুধুমাত্র অধীর রঞ্জন চৌধুরী নয়, বিরোধী জোটের সঙ্গে না থাকলেও একই প্রশ্ন তুলে সরব হয়েছেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। তাঁর কথায়, গত তিন দিন ধরে আমরা দেখতে পাচ্ছি, মাননীয় স্পিকার ওম বিড়লা শুধু বিজেপির মন্ত্রীদেরই সংসদে বলতে দিচ্ছেন। তার পরেই সংসদ মুলতুবি ঘোষণা করে দিচ্ছেন তিনি। বিরোধী কোনও সদস্যকে বলার সুযোগই দেওয়া হচ্ছে না।
ট্যুইট করে নিজের ক্ষোভ প্রকাশের পাশাপাশি মহুয়া জানিয়েছেন, দেশের গণতন্ত্র আজ আক্রমণের মুখে। স্পিকার সামনে থেকে তাতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এই ট্যুইটের জন্য আমায় জেলে যেতে হলেও আমি রাজি রয়েছি।


৩ দিন ধরে তাঁর নির্ধারিত আসনের মাইক বন্ধ, অভিযোগ অধীরের

বৃহস্পতিবার সংসদে উপস্থিত হবেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল রাহুল গান্ধী। সম্প্রতি তাঁর একটি মন্তব্য ঘিরে তোলপাড় হয়েছে সংসদ। বিদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, ভারতীয় গণতন্ত্রের মৌলিক কাঠামোর ওপর আক্রমণ চালানো হয়েছে। তাঁর ফোনে আড়ি পাততে ইজরায়েলি স্পাইওয়্যার পেগাসাস ব্যবহার করা হয়েছে। আরও অনেক রাজনীতিবিদদের ফোনেও পেগাসাস ছিল। এই ধরনের মন্তব্যের কারণে রাহুল গান্ধীর ক্ষমা চাওয়া উচিত এমনটাই চান সাংসদরা। আজও সংসদ উত্তালের আঁচ মিলেছে।







