নজরবন্দি ব্যুরোঃ ফের গরুপাচার নিয়ে সরব বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদ তথা লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী৷ তাঁর অভিযোগ, মুর্শিদাবাদ জেলার সীমান্ত এলাকাগুলি-সহ পশ্চিমবঙ্গের সবক’টি সীমান্ত দিয়েই দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে গরুপাচার হয়ে আসছে ৷ এই নিয়ে অনেক আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে তথ্য দিয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয়, গরু পাচারের ভিডিয়োও হিন্দি ভাষায় ‘ডাবিং’ করে প্রধানমন্ত্রীকে বুঝিয়েও দিয়েছেন।
আরও পড়ুনঃ কারাবাসের দিন সংখ্যা বাড়তে পারে পার্থর! কারাগারে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে ইডি



বহরমপুরের সাংসদের দাবি, মুর্শিদাবাদের বেকার যুবকদের গরু পাচারের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। যুবকদের বেকারত্বের সুযোগ নিয়ে তাঁদের পাচারকারী বানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখানে জাতীয় সড়কের উপর দিয়ে প্রকাশ্য়ে গরু নিয়ে যাওয়া হয় পাচার করার জন্যে। প্রশাসন থেকে পুলিশ, সবাই সব কিছু জানে। কিন্তু সব জেনেও চুপ করে থাকে। হাইওয়ে দিয়ে গরুর পাল হাঁটিয়ে নিয়ে যায় পাচারকারীরা। এসব কোনও নতুন ঘটনা নয়।



অধীরের দাবি, দক্ষিন ২৪ পরগণা থেকে উত্তরের কোচবিহার, সর্বত্রই গরু পাচারের কারবার চলে অবাধে। এতে সরকারের রাজস্ব ক্ষতি হয় আর নির্দিষ্ট কিছু মানুষের পকেট ভর্তি হয়। গোটা ঘটনায় রাজ্য সরকার ও প্রশাসনের প্রত্যক্ষ মদত রয়েছে বলে অভিযোগ করেন অধীর। লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতার প্রস্তাব কেন্দ্র বিষয়গুলি খতিয়ে দেখুক। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা চাইলেই দোষীদের চিহ্নিত করা সম্ভব হবে।
পাশাপশি অধীর চান যেসব বেকার যুবকরা পাচারে যুক্ত রয়েছেন, তাঁদের ছোট ছোট ব্যবসা করার সুযোগ দিয়ে স্বনির্ভর করে তোলা হোক ৷ তাঁর মতে, সীমান্ত এলাকাগুলিতে আরও বেশি করে হাট বা বাজার খোলা দরকার। তাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।
দক্ষিন ২৪ পরগণা থেকে কোচবিহার, সর্বত্রই অবাধ গরুপাচার!

কংগ্রেস সাংসদের দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের ‘আশীর্বাদধন্য’ না হলে অনুব্রত মণ্ডলের পক্ষে গরু পাচারে মদত দেওয়া সম্ভব হত না। সেই কারনে কেন্দ্রীয় সংস্থার আরও অ্যাকটিভ ভাবে তদন্ত করা জরুরি। প্রসঙ্গত গরু পাচার মামলায় ইতিমধ্যেই অনুব্রত মন্ডল কে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের নজরে রয়েছেন তাঁর মেয়ে সুকন্যা মণ্ডল-সহ আরও অনেকেই।







