নজরবন্দি ব্যুরোঃ ‘ইন্ডিয়া’ জোটের প্রথম সমন্বয় বৈঠকে হাজির থাকতে পারলেন না তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কারণ, তাঁকে তলব করেছিল ইডি। অভিষেক না থাকায় তাঁর চেয়ার খালি রাখার সিদ্ধান্ত নেয় বৈঠকে উপস্থিত বাকী রাজনৈতিক দলগুলি। এদিকে কিন্তু প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি এবং রাজ্য সিপিআইএমের সম্পাদক মহম্মদ সেলিম কিন্তু অভিষেককে তলব প্রসঙ্গে ভিন্ন মত প্রদর্শন করলেন। তাহলে কি তাল কাটছে জোটের?
আরও পড়ুনঃ ৯৬ ঘণ্টা জেরা করলেও কিছু যায় আসে না, ক্ষমতা থাকলে গ্রেফতার করুন, চ্যালেঞ্জ অভিষেকের


বুধবার বিকেলে দিল্লিতে শরদ পওয়ারের বাসভবনে সমন্বয় কমিটির প্রথম বৈঠক বসেছিল। আর সেদিনই কিন্তু তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কম্যান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করে ইডি। প্রায় ৯ ঘন্টা ইডির জেরা সামলে বেরিয়ে অভিষেক চ্যালেঞ্জ করে বলেন, যদি ১০ পয়সার দুর্নীতি ইডি প্রমাণ করতে পারে তাহলে ফাঁসির মঞ্চে উঠব।
এদিকে অভিষকে কেন জোটের বৈঠকের দিনেই সমন করা হল তা নিয়ে একমত প্রদর্শন করেন ইন্ডিয়া জোট। কিন্তু রাজ্যের দুই নেতা মহম্মদ সেলিম ও অধীর রঞ্জন চৌধুরী কিন্তু ভিন্ন কথা বললেন। রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম বলেছেন, “বিজেপির বিরুদ্ধে তৈরি ইন্ডিয়া-র সমন্বয় কমিটির কারও দুর্নীতির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ হলে, বিজেপি সুযোগ পেয়ে যেতে পারে। এ নিয়ে সতর্ক থাকা উচিত।”



সমন্বয় বৈঠকে ‘খালি’ থাকল অভিষেকের চেয়ার, এদিকে সেলিম-অধীরের গলায় কিন্তু অন্য ‘সুর’, কবে একমত হবে জোট?
প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীও অভিষেককে তলব প্রসঙ্গে বলেন, ‘‘সেটা কংগ্রেসের নেতৃত্ব জানবেন। আমরা জানি, এটা আদালতের হস্তক্ষেপে হচ্ছে। এ তদন্তের দাবি পশ্চিমবঙ্গের বঞ্চিত, নিপীড়িত, নির্যাতিত মানুষ করেছে। আমরা চেয়েছি সিবিআই তদন্ত হোক, চোরদের ধরা হোক, দুর্নীতিগ্রস্তদের ধরা হোক। বিচার হওয়া দরকার। আমরা পশ্চিমবঙ্গে যারা কংগ্রেস করি, আমরা তা জানি, সেখান থেকে আমাদের সরে যাওয়ার প্রশ্ন নেই।’’








