নজরবন্দি ব্যুরোঃ নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বুধবার অভিষেক বন্দোপাধ্যায়কে তলব করেছিল ইডি(ED)। রবিবার সন্ধেয় টুইট করে অভিষক জানান, ১৩ সেপ্টেম্বর বুধবার তাঁকে হাজিরা দেওয়ার জন্য সমন পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। সেই মতো ইডি দফতরে যথা সময়ে পৌঁছন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। ঘড়ি ধরে ঠিক ৯ ঘণ্টা ১৫ মিনিট পর ইডির দফতর থেকে বের হন অভিষেক বন্দোপাধ্যায়।
আরও পড়ুনঃ প্রাথমিকে দুর্নীতিমুক্ত শিক্ষক নিয়োগ, স্বচ্ছতা বজায় রাখতে বদ্ধ পরিকর রাজ্য।


দফতর থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘এর আগে নিট ফল ছিল শূন্য। এখন আরও দু’নম্বর কমল। মাইনাস টু। নিট ফল মাইনাস টু। আগামীদিনে ডাকলে আরও মাইনাস হবে। আমায় ডাকলে ধূপগুড়ির ফল বদলাবে না। পঞ্চায়েত ফল বদলাবে না। আগামী দিনে জনসমর্থন বাড়বে আমাদের।’ এবার তাঁর কথায় উঠে আসে ফেলুদা প্রসঙ্গ।

সত্যজিৎ রায়ের অমর সৃষ্টি ফেলুদা প্রসঙ্গ টেনে অভিষেক বলেন, ‘জটায়ু ফেলুদাকে প্রশ্ন করেছিলেন, একই জিনিস আমরা এক ভাবে দেখছি, আর আপনি অন্য ভাবে দেখছেন, সেটা কী করে হয়? জবাবে ফেলুদা বলেছিলেন, আপনারা আগে অপরাধী ঠিক করে নেন। পরে অপরাধ খোঁজেন। কিন্তু আমি আগে অপরাধ খুঁজি তার পর অপরাধীকে চিহ্নিত করি। ইডিও এখানে জটায়ুর মতোই আগে অপরাধী ঠিক করে নিচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘মুম্বইয়ের বৈঠকের পরে সমন্বয় কমিটি হয়। আমি তার প্রতিনিধি ছিলাম। সব দল ছেড়ে আমাকে নোটিশ দিয়েছে। যাক দিয়েছে ভালো করেছে। আর একবার স্পষ্ট হল কার্যত তৃণমূল কংগ্রেসেকে ভয় পায়। ৯ ঘণ্টার জেরার বদলে ৯৬ ঘণ্টা জেরা করলেও আমার কিছু যায় আসে না। মেরুদণ্ড বিক্রি করতে আমরা জানিনা। বশ্যতা স্বীকার করিনা।’


৯৬ ঘণ্টা জেরা করলেও কিছু যায় আসে না, ক্ষমতা থাকলে গ্রেফতার করুন, চ্যালেঞ্জ অভিষেকের

টানা প্রায় ৯ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ। শেষে বৃষ্টি মাথায় বেরিয়ে আসা। তারপরে ইডি-র দফতরের সামনেই একের পর এক চ্যালেঞ্জ, একের পর এক হুঁশিয়ারি। তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন, ‘‘আমাকে গ্রেফতার করুন! আমাকে গ্রেফতার করলেই আমার স্টেটমেন্ট প্রকাশ পাবে। চ্যালেঞ্জ করছি আমাকে গ্রেফতার করুন৷’’








