তিনি যখন সাংসদ ছিলেন তখনও মানুষের জন্য কাজ করেছেন। তেমনি এখনো মানুষের কথা বলছেন। এটাই তো রাজনীতির কাজ’। তবে ভোটে হারার পর জেলা রাজনীতিতে অধীরের যে কার্যকলাপ তা কিন্তু আগামী দিনে কংগ্রেস কর্মীদের উজ্জীবিত করবে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।
সংসদীয় রাজনীতি থেকে দূরে থাকা কার্যত অসম্ভব অধীর চৌধুরীর পক্ষে। এদিকে রাজ্যে ক্রমশ শুভেন্দুর নেতৃত্বে হাল খারাপ হচ্ছে বিজেপির। দিলীপ ঘোষ বাদ দিলে সেই অর্থে নেতা নেই যারা তৃণমূলের সঙ্গে সম্মুখ সমরে যেতে পারে।
প্রায় দু’বছর পর এবার বিধায়ক পেতে চলেছে মানিকতলা বিধানসভা কেন্দ্র। এই কেন্দ্রে উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। আগামী ১০ জুলাই ভোটগ্রহণ হবে এখানে।
এবার অধীর রঞ্জন পেয়েছেন ৪ লক্ষ ৩৯ হাজার ৪৯৪ ভোট। সেখানে ইউসুফ পাঠান পেয়েছেন ৫ লক্ষ ২৪ হাজার ৫১৬ ভোট। বিজেপির নির্মল কুমার সাহা পেয়েছেন ৩ লক্ষ ৭১ হাজার ৮৮৬ ভোট। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, বিজেপি ২০১৯ সালের চেয়ে প্রায় ২ লক্ষের বেশি ভোট পাওয়াতেই অধীর হেরে গেলেন।
বুধবারই দলের রাজ্য সম্পাদক পদ থেকে কুণাল ঘোষকে সরিয়ে দিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। আর সেই ঘটনার ২৪ ঘন্টা কাটতে না কাটতেই লোকসভা নির্বাচনের তারকা প্রচারকের তালিকা থেকেও বাদ গেল তাঁর নাম! আর এই ঘটনায় কুণাল ঘোষের পাশে দাঁড়ালেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী।