রাজ্যের তৃণমূল বিরোধী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত নেতা অধীর চৌধুরীর সঙ্গে কংগ্রেস হাইকম্যান্ডের লাগাতার মতানৈক্য তাঁকে বিজেপি-র আরও কাছাকাছি এনে দিয়েছে। বাংলায় বিরোধী রাজনীতির ধারক ও বাহক হিসাবে নিজেকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করবার ক্ষেত্রে বিজেপি ছাড়া আর কোনও বিকল্প নেই বহরমপুরের টাইগারের।
কংগ্রেস হাইকম্যান্ডের সঙ্গে লাগাতার মতানৈক্য এবং বাংলায় বিরোধী রাজনীতির ধারক ও বাহক হিসাবে নিজেকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করবার ক্ষেত্রে বিজেপি ছাড়া আর কোনও বিকল্প নেই বহরমপুরের টাইগারের।
রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করেন, কংগ্রেস যদি সত্যিই না জানিয়ে জোটের তরফে স্পিকার প্রার্থী ঘোষণা করে থাকেন তাহলে সেটা রাহুল যতই মুখে 'জয় সংবিধান' বলুন না কেন, তা উচিৎ হয়নি।
অধীর জানিয়েছেন, তাঁদের দলের নিয়মই হল সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে যখন সভাপতি নির্বাচিত হয় তখন সমস্ত রাজ্যে নতুন সভাপতি ঠিক না করা পর্যন্ত 'অস্থায়ী' হিসাবেই কাজ করেন বিদায়ী সভাপতিরা। তাই এই মুহূর্তে নিজেকে 'অস্থায়ী' সভাপতি বলতেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবেন বলে জানান অধীর, যতদিন না পর্যন্ত খাড়গে বিভিন্ন রাজ্যে কমিটি চূড়ান্ত করে দেবেন।
কংগ্রেসের একাংশ আর এই জোট মেনে নিতে পারছেন না। সেক্ষেত্রে দায়ী করা হচ্ছে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীকে। তিনিই নাকি নিজের জেদে এই জোটকে টেনে নিয়ে জেতে চাইছেন।
কংগ্রেস হাইকমাণ্ডের পক্ষ থেকে অধীর কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দিল্লীর বাংলো না ছাড়তে। সূত্রের খবর কংগ্রেস শিবিরও চাইছে অধীর চৌধুরীকে কোন একটি রাজ্য থেকে জিতিয়ে রাজ্যসভায় নিয়ে যেতে। এখন দেখার অধীর রঞ্জন চৌধুরী কি সিদ্ধান্ত নেন অবশেষে।
সেখানে উপস্থিত থাকবেন অধীর। এছাড়া উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক গোলাম আহমেদ মীর। সেই পর্যালোচনা রিপোর্ট কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। সূত্রের খবর অধীরকে দিল্লির রাজনীতিতে চাইছেন কংগ্রেসের একাংশ। আর সেই কারণেই তাঁকে দিল্লির বাংলো না ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দলের পক্ষ থেকে।